ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • পাঁচ দিনের আন্দোলনেও দেখা নেই বনাধিকারিকদের! ক্ষোভে ফুঁসছেন যৌথ গ্রামসভার সদস্যরা

পাঁচ দিনের আন্দোলনেও দেখা নেই বনাধিকারিকদের! ক্ষোভে ফুঁসছেন যৌথ গ্রামসভার সদস্যরা

নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার:বন দপ্তরের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ, পাঁচ দিন ধরে চলছে আন্দোলন তবুও আন্দোলনস্থলে অনুপস্থিত বনাধিকারিকরা! প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। বন দপ্তরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে টানা পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে যৌথ গ্রামসভা। রাজভাতখাওয়া....

পাঁচ দিনের আন্দোলনেও দেখা নেই বনাধিকারিকদের! ক্ষোভে ফুঁসছেন যৌথ গ্রামসভার সদস্যরা

নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার:বন দপ্তরের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ, পাঁচ দিন ধরে চলছে আন্দোলন তবুও আন্দোলনস্থলে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার:বন দপ্তরের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ, পাঁচ দিন ধরে চলছে আন্দোলন তবুও আন্দোলনস্থলে অনুপস্থিত বনাধিকারিকরা! প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। বন দপ্তরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে টানা পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে যৌথ গ্রামসভা। রাজভাতখাওয়া চেকপোস্টকে কেন্দ্র করে চলা এই আন্দোলন ঘিরে ক্রমশ বাড়ছে ক্ষোভ। অথচ আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এত দিন ধরে প্রতিবাদ চললেও এখনও পর্যন্ত কোনও বনাধিকারিক তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে বা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানে হাজির হননি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ শোনার দায় কি বন দপ্তরের নেই?যে সমস্ত অভিযোগ ও দাবিকে সামনে রেখে যৌথ গ্রামসভা আন্দোলনে নেমেছে, সেগুলির বিষয়ে বন দপ্তরের তরফে এখনও কোনও দৃশ্যমান উদ্যোগ সামনে না আসায় ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। পাঁচ দিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টে আন্দোলন চলার পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের অনুপস্থিতি প্রশাসনিক সংবেদনশীলতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ যদি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত থাকে, তাহলে ক্ষোভ আরও বাড়বে এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দার ক্ষোভ, অধিকারিকরা ঠান্ডা ঘরে বসে মজা নিতে ব্যস্ত। আর সাধারণ মানুষকে নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য দিনের পর দিন আন্দোলন করতে হচ্ছে। পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চলছে, অথচ একজন বনাধিকারিকও এসে আমাদের কথা শোনার প্রয়োজন মনে করলেন না!এই বক্তব্য ঘিরে বন দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। অবশ্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি; ফলে তাঁদের অবস্থান ও আন্দোলনস্থলে না আসার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা, অধিকার ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে কোনও অসন্তোষ তৈরি হলে আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াই প্রত্যাশিত। সেখানে টানা পাঁচ দিন আন্দোলন চলার পরেও যদি কোনও দৃশ্যমান আলোচনার উদ্যোগ না থাকে, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।এখন মূল প্রশ্ন যৌথ গ্রামসভার অভিযোগ শুনতে বন দপ্তর কবে এগিয়ে আসবে?আন্দোলনকারীদের দাবির নিষ্পত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করবে, নাকি আরও দীর্ঘ হবে এই প্রতিবাদ? রাজভাতখাওয়া চেকপোস্টে চলা আন্দোলনের দিকে এখন নজর স্থানীয় মহলের।


তৃণমূলের হয়ে প্রচার, সাসপেন্ড পাঁচ বিএলও

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর