ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ঘরে ঘরে পরিশ্রুত পানীয় জল: সেপ্টেম্বর টার্গেটে জল জীবন মিশনের কাজে গতি

ঘরে ঘরে পরিশ্রুত পানীয় জল: সেপ্টেম্বর টার্গেটে জল জীবন মিশনের কাজে গতি

স্বরূপ সাহা,নয়া জামানা, ইংরেজবাজার: জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করে বাড়ি বাড়ি নিরাপদ পানীয় জল পৌঁছে দিতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে জেলার জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি (পিএইচই) দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের....

ঘরে ঘরে পরিশ্রুত পানীয় জল: সেপ্টেম্বর টার্গেটে জল জীবন মিশনের কাজে গতি

স্বরূপ সাহা,নয়া জামানা, ইংরেজবাজার: জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করে বাড়ি বাড়ি নিরাপদ পানীয়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


স্বরূপ সাহা,নয়া জামানা, ইংরেজবাজার: জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করে বাড়ি বাড়ি নিরাপদ পানীয় জল পৌঁছে দিতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে জেলার জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি (পিএইচই) দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর, রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু, বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা অম্লান ভাদুড়ি, পিএইচই দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এবং জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।বৈঠকে জেলার জল জীবন মিশন-সহ বিভিন্ন পানীয় জল প্রকল্পের অগ্রগতি, চলমান কাজের অবস্থা, কোথায় কোথায় সমস্যা রয়েছে এবং কীভাবে দ্রুত সেই সমস্যার সমাধান করে প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণ করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিন মাস পর ফের পর্যালোচনা বৈঠক করে কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখা হবে।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভাস্কর ভট্টাচার্য দাবি করেন, দেশের বহু রাজ্যে জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হলেও পশ্চিমবঙ্গে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তা ১৫ শতাংশেরও কম ছিল। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার হয়নি। কোথায় কী অনিয়ম হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী জানান, মালদায় পিএইচই প্রকল্পের প্রায় ৮১ কোটি টাকার বকেয়া বিলের বিষয়টি বৈঠকে উঠে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, যেসব প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে এবং সরকারি যাচাইয়ে তা সঠিক বলে প্রমাণিত হবে, সেসব ক্ষেত্রেই পর্যায়ক্রমে বকেয়া বিল মিটিয়ে দেওয়া হবে। তবে অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে আগে যাচাই করা হবে, তারপরই অর্থ ছাড়া হবে। তিনি বলেন, সরকারের কাছে অর্থের অভাব নেই; যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকৃত দাবিদারদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হবে।পরে প্রতিমন্ত্রী মানিকচক ব্লকের মথুরাপুরে পিএইচই-র আর্সেনিকমুক্ত জল উত্তোলন প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে প্ল্যান্ট সংলগ্ন ফুলহর নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য শোনার পর প্রতিমন্ত্রী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।


১১ বছর পর ঘরে ফিরল উত্তরের স্বর্ণকন্যা 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর