ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • জেলা /
  • বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, তিস্তা-মূর্তির ভাঙ্গন-প্লাবনে বাড়ছে আতঙ্ক

বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, তিস্তা-মূর্তির ভাঙ্গন-প্লাবনে বাড়ছে আতঙ্ক

বাবলু রহমান,নয়া জামানা ,জলপাইগুড়ি : বর্ষা যেন এ বছর শুরু থেকেই নিজের রুদ্ররূপ দেখাতে শুরু করেছে। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। কোথাও নদী ভাঙনে বাড়িঘর হারানোর আশঙ্কা, কোথাও আবার নদীর জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা।....

বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, তিস্তা-মূর্তির ভাঙ্গন-প্লাবনে বাড়ছে আতঙ্ক

বাবলু রহমান,নয়া জামানা ,জলপাইগুড়ি : বর্ষা যেন এ বছর শুরু থেকেই নিজের রুদ্ররূপ দেখাতে শুরু করেছে।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


বাবলু রহমান,নয়া জামানা ,জলপাইগুড়ি : বর্ষা যেন এ বছর শুরু থেকেই নিজের রুদ্ররূপ দেখাতে শুরু করেছে। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। কোথাও নদী ভাঙনে বাড়িঘর হারানোর আশঙ্কা, কোথাও আবার নদীর জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। জলপাইগুড়ি, ডুয়ার্স, কালিম্পং থেকে উত্তর সিকিম সর্বত্রই এখন একটাই আলোচনা, নদীর বাড়তে থাকা জল আর তার ভয়াবহ প্রভাব। সোমবার সকালে জলপাইগুড়ি জেলার চালসা সংলগ্ন পানঝোরা এলাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে মূর্তি নদীর ভাঙনে এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্থায়ী কোনও সমাধান না হওয়ায় এদিন চালসা-নাগরাকাটা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষাতেই মূর্তি নদী একটু একটু করে পাড় ভাঙছে। নদীর ধারে থাকা বহু পরিবার বছরের পর বছর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এবার টানা বৃষ্টির পর নদীর স্রোত আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। নদীর মূল ধারা এখন জনবসতির খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। ফলে যেকোনও সময় বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।এই পরিস্থিতিতে সোমবার সকালে এলাকার মানুষ একজোট হয়ে মূর্তি সেতুর কাছে জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে এই অবরোধ। এর জেরে জাতীয় সড়কের দু’পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। আটকে পড়েন অফিসযাত্রী, স্কুল পড়ুয়া, পর্যটক এবং সাধারণ মানুষ। অনেককে দীর্ঘ সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নাগরাকাটা থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত নদী ভাঙন রোধের কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন তাঁরা। প্রশাসনের তরফে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর অবরোধ তুলে নেন বাসিন্দারা। যদিও এলাকার মানুষের বক্তব্য, শুধু আশ্বাসে আর ভরসা নেই, এবার দ্রুত কাজ শুরু হোক সেটাই তাঁদের প্রধান দাবি। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে জলপাইগুড়ি জেলার সামগ্রিক পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। সোমবার সকাল থেকেই জেলার আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। তার সঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি চলতে থাকে। ফলে বিভিন্ন নিচু এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। বহু এলাকায় রাস্তাঘাট কাদায় ভরে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী এলাকাগুলিতে আতঙ্ক আরও বেশি। কারণ বৃষ্টির জেরে তিস্তা ও জলঢাকা নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। সেচ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। মেখলিগঞ্জের তিস্তা অববাহিকার অসংরক্ষিত এলাকায় ইতিমধ্যেই হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুধু তিস্তাই নয়, ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন জলঢাকা নদীর তীরবর্তী অসংরক্ষিত এলাকাগুলিতেও হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নদীর ধারে বসবাসকারী মানুষদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।জলপাইগুড়ি সেচ দপ্তরের কন্ট্রোল রুম সূত্রে খবর, গজলডোবা ব্যারেজ থেকে পর্যায়ক্রমে জল ছাড়া হচ্ছে। ফলে নদীর জলস্তর আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর