ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • কমিশনের কড়া নির্দেশে বন্ধ মদের দোকান, কালোবাজারিতে রমরমা অসাধু চক্র

কমিশনের কড়া নির্দেশে বন্ধ মদের দোকান, কালোবাজারিতে রমরমা অসাধু চক্র

রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: আগামী ২৩ শে এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট। প্রথম দফার ভোটে কোন রকম যাতে অপ্রীতিকরের ঘটনা না ঘটে, সেই দিকটা লক্ষ্য রেখে ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো রাজ্যের....

কমিশনের কড়া নির্দেশে বন্ধ মদের দোকান, কালোবাজারিতে রমরমা অসাধু চক্র

রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: আগামী ২৩ শে এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ২৯৪....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: আগামী ২৩ শে এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট। প্রথম দফার ভোটে কোন রকম যাতে অপ্রীতিকরের ঘটনা না ঘটে, সেই দিকটা লক্ষ্য রেখে ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো রাজ্যের আবগারি দপ্তরের পক্ষ থেকে সমস্ত লাইসেন্স প্রাপ্ত দেশি ও বিদেশী মদের দোকানে তালা ঝুলালো প্রশাসন। রবিবার রাত্রি থেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পাশাপাশি হিলি ব্লকের তিওর ত্রিমোহিনী বালুপাড়া হিলি সহ বিভিন্ন এলাকায় যে সকল লাইসেন্স প্রাপ্ত মদের দোকানগুলি আছে সেসব দোকানগুলিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২৩ তারিখ পর্যন্ত ভোট প্রক্রিয়া না শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনোভাবেই মদের দোকানগুলি খোলা হবে না বলে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে আবগারি দপ্তরের পক্ষ থেকে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আনাচে-কানাচে সুযোগ বুঝে যে সকল ভ্রাম্যমান এবং অবৈধভাবে হোটেল গুলিতে মদের কারবার চলত, বিষয়টি তারা আগাম বুঝতে পেরে ব্যবসায়ীরা গোপনে মদ গুলি রেখে স্টক করে দেন। ৫০০ টাকার মদের দাম বিক্রয় করা হচ্ছে ৮০০ টাকা এবং ৮০০ টাকার মদের দাম বিক্রয় করা হচ্ছে ১১০০ টাকায়। হাজার টাকার মদের দাম বিক্রয় হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা। এমনটাই অভিযোগ নিত্যদিন সুরা সেবনকারীদের। চার দিন ধরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো আবগারি দপ্তরের পক্ষ থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত এই মদের দোকানগুলিতে তালা ঝুলে যাওয়া কারণে চরম সমস্যায় পড়েছেন নিত্যদিন সূরা সেবনকারীরা। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। বালুপাড়া, তিওড়, ত্রিমোহিনীসহ বেশ কয়েক জায়গায় প্রতিটি মদের বোতলের ক্ষেত্রে সরকারি ন্যায্য মূল্য দাম থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা অধিক নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। অনেক ক্ষেত্রে এই মদের বোতল গুলি ভেঙ্গে কিছুটা জল মিশ্রণ করে মদ্যপায়ী দের বোকা বানিয়ে পকেট কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। তবে এই ধরনের অভিযোগ পেলে হিলি থানার পুলিশ দ্রুত সেইসব ব্যবসায়ী এবং হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য আবগারি দপ্তরের নির্বাচনের প্রাক্কালে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে আপামর জনসাধারণ।


 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর