ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • মোদি-দিদির চাপে রুগ্ন বাংলা! নকশালবাড়িতে হুঙ্কার খাড়গের

মোদি-দিদির চাপে রুগ্ন বাংলা! নকশালবাড়িতে হুঙ্কার খাড়গের

উত্তম সিংহ ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ নকশালবাড়ি: নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ কয়েকগুণ বাড়িয়ে নকশালবাড়ির মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপি ও তৃণমূলকে একযোগে তোপ দাগলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মাল্লিকার্জুন খাড়গে। নন্দ প্রসাদ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় ৭ জন কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে....

মোদি-দিদির চাপে রুগ্ন বাংলা! নকশালবাড়িতে হুঙ্কার খাড়গের

উত্তম সিংহ ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ নকশালবাড়ি: নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ কয়েকগুণ বাড়িয়ে নকশালবাড়ির মাটিতে দাঁড়িয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


উত্তম সিংহ ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ নকশালবাড়ি: নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ কয়েকগুণ বাড়িয়ে নকশালবাড়ির মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপি ও তৃণমূলকে একযোগে তোপ দাগলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মাল্লিকার্জুন খাড়গে। নন্দ প্রসাদ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় ৭ জন কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার চালাতে এসে মোদি সরকারের মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি।

মহিলা বিলের আড়ালে ডিলিমিটেশন করে দেশ ও রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলানোর চেষ্টা হয়েছে, সরাসরি বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুললেন খাড়গে। তাঁর সাফ কথা, মহিলাদের প্রকৃত উন্নয়নের বদলে নিজেদের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য। ২০২৩ সালে সংসদে বিল পাশ হওয়ার পরেও তা কার্যকর করতে দেরি কেন, সেই প্রশ্ন তুলে খাড়গে বলেন, ভোটের আগে মহিলাদের চোখে ধুলো দিতেই এই বিল আনা হয়েছে। আদতে মহিলা বিল বিজেপির নির্বাচনী স্টান্ট ছাড়া কিছুই নয়।

সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ব্যক্তিগতভাবে নিশানা করে খাড়গে বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছেড়ে বিদেশ সফরেই বেশি ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী। মণিপুর জ্বলছে, বেকারত্ব বাড়ছে, কৃষক কাঁদছে, অথচ প্রধানমন্ত্রীর সময় নেই দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। মোদি শুধু ভাষণ দেন, কাজ করেন না।

বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কংগ্রেস সভাপতি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিয়ে তাঁর মন্তব্য, মোদী ও দিদির রাজনীতির চাপে বাংলা আজ রুগ্ন হয়ে পড়ছে। একজন কেন্দ্র থেকে বঞ্চনা করছে, আরেকজন রাজ্যে গণতন্ত্রকে শেষ করছে। দুই সরকারের লড়াইয়ে পিষে মরছে সাধারণ মানুষ। বাংলার শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি সব ধ্বংসের মুখে।

এদিনের সভায় খাড়গের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেন কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতা গুলাম আহমদ মীর এবং পাপ্পু যাদব। তাঁরা সকলেই কংগ্রেস প্রার্থীদের জয়ী করতে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানান। পাপ্পু যাদব বলেন, বিজেপি-তৃণমূল দুটোই এক মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। দু’দলই মানুষকে ঠকাচ্ছে।

ভাষণের শেষে খাড়গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মহিলা বিল নিয়ে বিজেপির দ্বিচারিতা মানুষ বুঝে গিয়েছে। আগামী দিনে মহিলারাই এর জবাব দেবে। বাংলার মেয়েরা, মায়েরা এবার ব্যালটে বদলা নেবে। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে মহিলা বিল অবিলম্বে কার্যকর হবে, কোনও ডিলিমিটেশনের অজুহাত ছাড়াই।

সভাকে ঘিরে এলাকায় ছিল ব্যাপক ভিড় ও উৎসাহ। কংগ্রেসের পতাকা, ব্যানারে মুড়ে ফেলা হয়েছিল গোটা মাঠ। খাড়গের বক্তব্যের সময় বারবার হাততালি ও স্লোগানে ফেটে পড়ে জনতা। নির্বাচনের আগে নকশালবাড়ির এই সভা উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। কংগ্রেসের দাবি, ভিড়ই প্রমাণ করছে মানুষ পরিবর্তন চাইছে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর