ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • খালি হাতেই ফিরবে বিজেপি, ‘এজেন্সি’ নিয়ে তোপ মমতার

খালি হাতেই ফিরবে বিজেপি, ‘এজেন্সি’ নিয়ে তোপ মমতার

নয়া জামানা ডেস্ক : সাঁজোয়া গাড়ি আর মিলিটারির ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, বিজেপিকে এবার খালি হাতেই ফিরতে হবে বাংলা থেকে। সোমবার বেলেঘাটার সভামঞ্চ থেকে এভাবেই গেরুয়া শিবিরকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, রাজ্যের মানুষ আর বিজেপিকে বিশ্বাস....

খালি হাতেই ফিরবে বিজেপি, ‘এজেন্সি’ নিয়ে তোপ মমতার

নয়া জামানা ডেস্ক : সাঁজোয়া গাড়ি আর মিলিটারির ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, বিজেপিকে এবার খালি হাতেই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : সাঁজোয়া গাড়ি আর মিলিটারির ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, বিজেপিকে এবার খালি হাতেই ফিরতে হবে বাংলা থেকে। সোমবার বেলেঘাটার সভামঞ্চ থেকে এভাবেই গেরুয়া শিবিরকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, রাজ্যের মানুষ আর বিজেপিকে বিশ্বাস করে না। পহেলগাঁও রক্ষা করতে না পেরে বিজেপি এখন মিলিটারি দিয়ে মিটিং করছে বলে অভিযোগ করেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে তৃণমূল প্রার্থীদের প্রচার করতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও সরব হন তিনি। বেলাঘাটার সভা থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পহেলগাঁও-খোঁচা দিয়ে বক্তৃতার সুর বাঁধেন মমতা। তিনি বলেন, ‘সীমান্ত রক্ষা করতে যাঁদের কাজে লাগায়, যুদ্ধে যে বীর সৈনিকেরা প্রাণ দেন, আমরা তাঁদের স্যালুট জানাই। পহেলগাঁও রক্ষা করতে পারে না, মিলিটারিদের দিয়ে মিটিং করছে। সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে এসেছে। সব নিয়ে এসেছে। তা-ও বলি, সব নিয়ে তুমি ফিরে যাবে। খালি হাতে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তোমাদের বিশ্বাস করে না।’ ইতিহাস মনে করিয়ে বিজেপিকে দাঙ্গাবাজ তকমা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যখন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গান্ধীজি বেলেঘাটায় গান্ধীভবনে বসে ছিলেন কেন জানেন? দেশ ভাগ হওয়ার পরে যাতে দাঙ্গা না হয়। আর তোরা দিল্লি থেকে এসে এখানে দাঙ্গা করছিস, হামলা করছিস।’ বিজেপিকে ‘ডাকাতের পার্টি’ ও ‘ভোটকাটারি’ বলে তীব্র আক্রমণ শানান মমতা। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তাঁর তোপ, ‘ভোটকাটারি। কলকাতায় এক একটা কেন্দ্র থেকে ভোট কেটেছ কত? জল মাপবে?’ তৃণমূলের ওপর বারংবার চার্জশিট দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের সবাই চোর? জানেন তো, বাংলায় কথা আছে, চোরের মায়ের বড় গলা। ডাকাতের পার্টি। হার্মাদদের পার্টি। সিপিএমের যত হার্মাদ, সব হয়েছে এখন বিজেপির ওস্তাদ। ভোট দখল করতে নেমেছে।’ নির্বাচনের সময় পুলিশের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে নেই জানিয়ে মহিলাদের সতর্ক করেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, ‘মেয়েদের ব্যাগ সার্চ করতে বলছে। আমার হাতে কিন্তু এখন পুলিশ নেই। আপনাদের উপর অত্যাচার হলে ভাববেন, আমার নয়, ওটা বিজেপির।’ প্রধানমন্ত্রীর ধ্যান করা নিয়ে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তৃণমূল নেত্রী। নৈতিক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর আক্রমণ, ‘প্রত্যেকটা মিটিংয়ের আগে গুহাতে গিয়ে বসে থাকে। বরফের গুহা তৈরি করে এয়ার কন্ডিশন সাজিয়ে। যেন ধ্যান করছে। আরে যাদের আগে নৈতিক চরিত্র ঠিক করা দরকার, তারা নাকি নীতির কথা বলে। এ দেশে এটা হচ্ছে উলটপুরাণ। ভদ্রতা মানি বলে মুখ খুলি না।’ অনুপ্রবেশের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে মণিপুর ও অসমের প্রসঙ্গ তোলেন মমতা। ঝালমুড়ি খাওয়ার দৃশ্যকেও সাজানো বলে তোপ দাগেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঝালমুড়ি খেলে ওই দোকানে ক্যামেরা থাকে কী করে, আগে থেকে লাগিয়ে না রাখলে! আর আপনি ১০ টাকার নোট নিয়ে ঘোরেন পকেটে, এটা আমায় ভাবতে হবে!’ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানান মমতা। তিনি দাবি করেন, এটি আসলে ডিলিমিটেশন বিল। তাঁর প্রশ্ন, ‘২০২৩-এর পরে তিন বছর কেটে গেল। এখনও কেন বিজ্ঞপ্তি জারি হল না?’ খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আক্রমণের জবাবে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির আইনশৃঙ্খলার তুলনা টানেন তিনি। বলেন, ‘আপনার রাজ্যে মাছ-মাংস-ডিম খেলে কেন মারবে? বাংলা ভাষায় কথা বললে কেন মারবে? আমাদের এখানে সব সম্প্রদায় একসঙ্গে থাকি।’ সবশেষে বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিরোধের ডাক দিয়ে মহিলাদের অভিনব পরামর্শ দেন নেত্রী। মমতা বলেন, ‘আরেকটা নাড়ু করতে হবে মা-বোনেদের। হাতে গ্লাভ্‌স পরে করবেন। বিছুটি পাতার নাড়ু। তার মধ্যে একটু চুন দিয়ে দেবেন। মুখে মাখলেই মুখটা পরিষ্কার সাদা ধবধবে ফেসিয়াল হয়ে যাবে।’ একইসঙ্গে বিজেপি নেতাদের নিজে হাতে রান্না করে খাওয়ানোর প্রস্তাব দিয়ে তিনি চ্যালেঞ্জ ছোড়েন, ‘দেখি তুমি মাছে ভাতে বাঙালিকে কত পছন্দ করো।’ এজেন্সির অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা স্পষ্ট জানান, বিজেপি শিগগিরই বিদায় নেবে এবং তিনি প্রত্যেকের নাম-ঠিকানা ডায়েরিতে নোট করে রাখছেন। ছবি সংগৃহিত।


অহংকারেই পতন হবে তৃণমূলের ,রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে মমতাকে তোপ মোদীর

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর