ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • বাংলায় কি বড় কোনো ‘অপারেশন’? শাহের ‘গোপন বৈঠকে’ শঙ্কিত তৃণমূল

বাংলায় কি বড় কোনো ‘অপারেশন’? শাহের ‘গোপন বৈঠকে’ শঙ্কিত তৃণমূল

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের মুখে বাংলায় বড়সড় আশঙ্কার মেঘ দেখছে রাজ্যের শাসকদল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি দিল্লিতে একটি ‘গোপন বৈঠক’ ডেকেছেন। তৃণমূলের দাবি, আগামী ১৫০ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে গুরুতর কিছু ঘটানোর নীল নকশা তৈরি হচ্ছে সেই বৈঠকে। সোমবার....

বাংলায় কি বড় কোনো ‘অপারেশন’? শাহের ‘গোপন বৈঠকে’ শঙ্কিত তৃণমূল

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের মুখে বাংলায় বড়সড় আশঙ্কার মেঘ দেখছে রাজ্যের শাসকদল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের মুখে বাংলায় বড়সড় আশঙ্কার মেঘ দেখছে রাজ্যের শাসকদল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি দিল্লিতে একটি ‘গোপন বৈঠক’ ডেকেছেন। তৃণমূলের দাবি, আগামী ১৫০ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে গুরুতর কিছু ঘটানোর নীল নকশা তৈরি হচ্ছে সেই বৈঠকে। সোমবার রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর দাবি, এই সব কিছুই ঘটছে কেন্দ্রের ‘অঙ্গুলিহেলনে’। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির প্রধানদের নিয়ে শাহের এই বৈঠক ঘিরে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের অন্দরের খবর অনুযায়ী, শাহের এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা সিবিআই, ইডি এবং এনআইএ প্রধানদের। ডেরেক স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘আমাদের কাছে নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর আছে, অমিত শাহ সিবিআই প্রধান, ইডি প্রধান এবং এনআইএ প্রধানকে বৈঠকে ডেকেছেন। বাংলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য।’ তৃণমূলের আশঙ্কা, এর ফলস্বরূপ আগামী ১৫০ ঘণ্টার মধ্যে বাংলায় কোনো বড় ঘটনা ঘটতে চলেছে। মূলত ভোটের ময়দানে সুবিধা নিতেই এমন পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি যেমন দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতাকে পাখির চোখ করা হয়েছে। ডেরেকের মতে, এই এলাকাগুলিতে বিজেপি আসলে ‘বিগ জিরো’, তাই হার নিশ্চিত জেনে তারা এখন মরিয়া হয়ে এজেন্সি নামাচ্ছে। শাসকদলের অভিযোগের তির সরাসরি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকে। ডেরেক ও’ব্রায়েনের কথায়, ‘এক জন মহিলাকে হারাতে মরিয়া হওয়ার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে গিয়েছে বিজেপি। এক দিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী-সহ ১৮ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, হাফ ডজন মুখ্যমন্ত্রী, সিএপিএফ, সিআরপিএফ, আইটিবিপি, সিবিআই, এনআইএ, আর অন্য দিকে, এক জন মহিলা।’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সোমবার বেলেঘাটার সভা থেকে এই নিয়ে সুর চড়িয়েছেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন, ‘মিলিটারিদের সঙ্গে মিটিং করছেন ভোট করার জন্য। কোনও দিন কেউ দেখেছেন? সব এজেন্সি নিয়ে এসেছেন। আমার প্রার্থীদের প্রচার করতে দিচ্ছে না। সব রেড করছে বাড়ি গিয়ে গিয়ে।’ তাঁর আরও দাবি, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে ব্যবহার করে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চলছে। এমনকি পুলিশ দিয়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও তিনি সরব হয়েছেন। এই আশঙ্কার কথা কেবল বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেনি তৃণমূল। রাজ্যজুড়ে প্রায় ৮০০ দলীয় কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে— এই আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা। জেলাভিত্তিক একটি তালিকাও আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে সাংসদ, বিধায়ক থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত স্তরের নেতাদের নাম রয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ঘাসফুল শিবির। অভিষেকের গাড়ি তল্লাশি বা মমতার গাড়িতে তল্লাশির চেষ্টা— এই সব ঘটনাকেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখছে তারা। যদিও কমিশন মমতার গাড়িতে তল্লাশির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। শাহের এই কথিত ‘গোপন বৈঠক’ ঘিরে আপাতত বাংলার রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে। আগামী ১৫০ ঘণ্টায় বঙ্গ রাজনীতিতে বড় কোনো ঝোড়ো হাওয়া বইতে চলেছে কি না, সেদিকেই এখন কড়া নজর রাজনৈতিক মহলের। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে ভোটের উত্তাপ এখন গলি থেকে রাজপথ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। শাসকদলের এই দাবি যদি সত্যি হয়, তবে নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ আমূল বদলে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, ডেরেকের এই আশঙ্কার পরে কেন্দ্রীয় সরকার বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কী পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসে। সব মিলিয়ে বাংলার ভোট যুদ্ধে এখন অদৃশ্য এক স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। ছবি সংগৃহিত।


চক্রে দিলীপের হুঙ্কার, ‘বাংলায় এবার পরিবর্তন নিশ্চিত’

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর