ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • রানাঘাটে ভোটকর্মীকে মারধর, বিডিও-কে সাসপেন্ড কমিশনের

রানাঘাটে ভোটকর্মীকে মারধর, বিডিও-কে সাসপেন্ড কমিশনের

নয়া জামানা, রানাঘাট : নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা ভোটকর্মীকে মারধরের ঘটনায় নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। নদিয়ার হাঁসখালি ব্লকের বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করা হল। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সায়ন্তন তাঁর নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এবং প্রোটোকল বজায়....

রানাঘাটে ভোটকর্মীকে মারধর, বিডিও-কে সাসপেন্ড কমিশনের

নয়া জামানা, রানাঘাট : নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা ভোটকর্মীকে মারধরের ঘটনায় নজিরবিহীন কড়া....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, রানাঘাট : নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা ভোটকর্মীকে মারধরের ঘটনায় নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। নদিয়ার হাঁসখালি ব্লকের বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করা হল। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সায়ন্তন তাঁর নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এবং প্রোটোকল বজায় রাখতে চরম ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁর এই গাফিলতি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিডিও-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত গত ২৭ মার্চ। রানাঘাট দেবনাথ ইনস্টিটিউট ফর বয়েজ স্কুলে ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ চলছিল। অভিযোগ, সেখানে প্রশিক্ষণের আড়ালে প্রজেক্টরের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ এবং দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের ভিডিও প্রদর্শন করা হচ্ছিল। সৈকত চট্টোপাধ্যায় নামে এক শিক্ষক এর প্রতিবাদ করেন। তাঁর দাবি, প্রকাশ্যেই আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বেই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় আহত হন সৈকতবাবু। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। নদিয়ার জেলাশাসক শ্রীকান্ত পল্লি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, ভুলবশত মুখ্যমন্ত্রীর ছবি প্রজেক্টরে ভেসে উঠেছিল। তিনি একে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলেও মেনে নেন। এরপরই কমিশন নড়েচড়ে বসে। সায়ন্তনকে প্রথমে শোকজ করা হয়। ঘটনায় জড়িত দুই কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হলে তাঁদের গ্রেফতারও করা হয়। যদিও অভিযুক্তরা বর্তমানে জামিনে মুক্ত। সাসপেনশনের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন আক্রান্ত ভোটকর্মী সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত আসন্ন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্রের পক্ষে কমিশনের ভূমিকার ইতিবাচক বার্তা বহন করবে। তৃণমূল ও রাজ্য সরকারের পক্ষে থাকা এক শ্রেণির আমলাদের জন্যেও এক প্রকার হলুদ কার্ড হয়ে থাকল।’ কমিশন সূত্রে খবর, হাঁসখালির ভোট প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সামগ্রিক দায়িত্ব ছিল সায়ন্তনের কাঁধে। কিন্তু সেখানে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই এড়ানো যায় না। বিডিও মারধরের কথা অস্বীকার করলেও কমিশনের কাছে পেশ করা রিপোর্ট তাঁর বিরুদ্ধেই গিয়েছে। অবাধ ভোটের পরিবেশ বজায় রাখতেই এই কড়া দাওয়াই দেওয়া হল বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। এই ঘটনায় জেলার প্রশাসনিক মহলে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আপাতত সায়ন্তনের পরিবর্তে কে দায়িত্ব সামলাবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। ফাইল ফটো।


নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন, বিহারের মন্ত্রী সহ ৪৫ বিধায়ককে হাইকোর্টের নোটিশ

 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর