নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের মুখে কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তির গেরোয় নাজেহাল হলেন কয়েক লক্ষ ভোটার। মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টার ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’ সামাল দিয়ে অবশেষে মধ্যরাতে স্বস্তি ফিরল নির্বাচন কমিশনের অন্দরে। যে সব ভোটারদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে, ওয়েবসাইট বিভ্রাটের জেরে তাঁদের নামও মঙ্গলবার রাতে আচমকা ‘বিবেচনাধীন’ হয়ে গিয়েছিল। এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করতেই দেখা দিচ্ছিল এই সমস্যা। যদিও মধ্যরাতে কমিশন জানিয়েছে, সমস্যার সমাধান হয়েছে এবং এখন আর চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ভোটারদের নামের পাশে ‘বিবেচনাধীন’ কথাটি দেখাচ্ছে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কমিশন যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল, তাতে প্রায় ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারকে ‘বিবেচনাধীন’ বা হোল্ডে রাখা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ৭০৫ জন বিচারক এই তালিকা পর্যালোচনার কাজ করছেন। সোমবার রাতে সেই তালিকার প্রথম অতিরিক্ত অংশ বা সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় আসল গোলমাল। অভিযোগ ওঠে, আগে যাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় ছিল, মঙ্গলবার রাতে কমিশনের ওয়েবসাইটে তাঁদের স্ট্যাটাস বদলে হয়ে যায় ‘বিবেচনাধীন’। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর আতঙ্কের চোটে কমিশনের দফতরে ফোনে অভিযোগের পাহাড় জমে ওঠে। পরে কমিশনের তরফে একে নিছক ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’ বলে সাফাই দেওয়া হয়। কমিশন সূত্রে খবর, সোমবারের অতিরিক্ত তালিকায় ঠিক কত জনের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে তা খোলসা করা হয়নি। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক নাম বাদ গেলে ট্রাইব্যুনালে আবেদনের পথ খোলা থাকছে। ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতিকে নিয়ে রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। মধ্যরাতের পর ওয়েবসাইটের তথ্য সংশোধিত হওয়ায় অন্তত যাঁদের নাম আগে থেকেই চূড়ান্ত ছিল, তাঁদের অহেতুক দুশ্চিন্তা ঘুচলো।
বিভ্রাট রুখতে ৮৫০৫ অফিসার নবান্নের, সুপ্রিম শুনানিতে আজ ফের কোর্টে মমতা !