ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • জনসাধারণের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি নয়, চিংড়িঘাটা মেট্রো জটে ‘সুপ্রিম’ ধমক রাজ্যকে

জনসাধারণের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি নয়, চিংড়িঘাটা মেট্রো জটে ‘সুপ্রিম’ ধমক রাজ্যকে

নয়া জামানা ডেস্ক : চিংড়িঘাটা মেট্রোর জট কাটাতে রাজ্যের আর্জিতে আমলই দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বরং কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারকে ধমক দিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, হয় মামলা তুলে নিন, নয়তো খারিজ করে দেওয়া হবে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি....

জনসাধারণের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি নয়, চিংড়িঘাটা মেট্রো জটে ‘সুপ্রিম’ ধমক রাজ্যকে

নয়া জামানা ডেস্ক : চিংড়িঘাটা মেট্রোর জট কাটাতে রাজ্যের আর্জিতে আমলই দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বরং....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : চিংড়িঘাটা মেট্রোর জট কাটাতে রাজ্যের আর্জিতে আমলই দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বরং কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারকে ধমক দিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, হয় মামলা তুলে নিন, নয়তো খারিজ করে দেওয়া হবে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পঞ্চোলীর বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, জনস্বার্থের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করা চলবে না। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই কাজ এগোবে এবং আদালতই সময় বেঁধে দিয়ে সেই কাজ করাবে।

নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো প্রকল্পের অরেঞ্জ লাইনের কাজ থমকে রয়েছে চিংড়িঘাটার মাত্র ৩১৬ বর্গমিটার অংশের জন্য। সেখানে কাজ সারতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অনুমতি চেয়েছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রাজ্য নানা অজুহাতে সেই অনুমতি দিচ্ছিল না বলে অভিযোগ। কলকাতা হাইকোর্ট এ বিষয়ে রাজ্যকে দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় নবান্ন। কিন্তু সেখানেও স্বস্তি মিলল না। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে রাজ্যের অবস্থান আদতে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে চূড়ান্ত গাফিলতি। কেবল মাত্র উন্নয়ন আটকানোর লক্ষ্যেই এই ‘জেদ’ করা হচ্ছে।

এদিন রাজ্যের আইনজীবীর যুক্তি শুনে প্রধান বিচারপতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘কখনও বলছেন উৎসব চলছে, কখনও পরীক্ষা চলছে, এখন বলছেন নির্বাচন চলছে। সুযোগ দিচ্ছি, মামলা তুলে নিন। না হলে খারিজ করে দেব।’ আদালতের মতে, জনস্বার্থের কাজে অসহযোগিতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দীর্ঘদিনের টানাপড়েনে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।

নির্মাণকারী সংস্থা জানিয়েছে, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে কাজ শেষ করতে অন্তত ৯ মাস সময় লাগবে। হাইকোর্টের নির্দেশে মেট্রো ও রাজ্য প্রশাসনের একাধিক বৈঠক হলেও সমাধান অধরাই ছিল। কখনও বর্ষবরণ, কখনও গঙ্গাসাগর মেলা বা ভোটের অজুহাতে আটকে যাচ্ছিল ছাড়পত্র। তবে সুপ্রিম কোর্টের এদিনের কড়া অবস্থানের পর রাজ্যের সামনে পিছু হটা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা রইল না। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, ‘জনসাধারণের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করবেন না। হাই কোর্টের নির্দেশ মেনেই কাজ হবে।’


 

বিজেপি ১০ আসন পেলে রাজনীতি ছেড়ে দেব’, জেলমুক্তির পরেই মোদি-শাহকে কেজরীওয়াল

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর