ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • কলকাতা /
  • জাতীয় পতাকা তুলতে গিয়ে বিপত্তি, আশুতোষ কলেজের সামনে তৃণমূল নেত্রীর ওপর ডিম হামলা

জাতীয় পতাকা তুলতে গিয়ে বিপত্তি, আশুতোষ কলেজের সামনে তৃণমূল নেত্রীর ওপর ডিম হামলা

নয়া জামানা, কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসের সকালে দক্ষিণ কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আশুতোষ কলেজ চত্বরে ঘটে গেল এক অনভিপ্রীত ঘটনা। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ও উত্তেজনার পারদ এতটাই চড়ল যে শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের অন্যতম পরিচিত মুখ তথা কালীঘাটপন্থী....

জাতীয় পতাকা তুলতে গিয়ে বিপত্তি, আশুতোষ কলেজের সামনে তৃণমূল নেত্রীর ওপর ডিম হামলা

নয়া জামানা, কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসের সকালে দক্ষিণ কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আশুতোষ কলেজ চত্বরে ঘটে গেল এক অনভিপ্রীত....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসের সকালে দক্ষিণ কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আশুতোষ কলেজ চত্বরে ঘটে গেল এক অনভিপ্রীত ঘটনা। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ও উত্তেজনার পারদ এতটাই চড়ল যে শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের অন্যতম পরিচিত মুখ তথা কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেত্রী উপাসনা চৌধুরীকে লক্ষ্য করে শুরু হল ডিম ছোড়া। তথাকথিত এই ‘ডিমথেরাপি’র ঘটনায় উৎসবের সকালে কলেজের সামনে চরম বিশৃঙ্খলা ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে আশুতোষ কলেজে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন কালীঘাটপন্থী টিএমসিপির সভানেত্রী উপাসনা চৌধুরী ও তাঁর সঙ্গীরা। কিন্তু কলেজের মূল ফটকে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকেরা জানান, কলেজের বৈধ পরিচয়পত্র বা উপযুক্ত অনুমতি ছাড়া কাউকেই ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বহিরাগত হিসেবে তাঁদের ভেতরে ঢোকা আটকে দেওয়া হয় এবং কলেজের সামনে ভিড় জমাতে মানা করা হয়। এই নিয়ে পুলিশ এবং তৃণমূল নেত্রীর অনুগামীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

উত্তেজনার মাঝেই আচমকা ভিড়ের ভেতর থেকে উপাসনা চৌধুরীকে লক্ষ্য করে একের পর এক কাঁচা ডিম ছোড়া হতে থাকে। একাধিক ডিম এসে লাগে তাঁর মাথায় ও গায়ে। হুলস্থুল কান্ড বেধে যায় কলেজ চত্বরে। ঘটনার পরপরই উপাসনা সোশ্যাল মিডিয়া লাইভে এসে তাঁর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ উগরে দেন। তাঁর দাবি, পুলিশি প্রহার ও বাধা সত্ত্বেও কীভাবে বহিরাগতরা কলেজের ভেতরে অবাধে অবস্থান করছিল এবং কোনো পরিচয়পত্র ছাড়াই ভেতরে ঢুকে এমন হামলা চালাল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। উপাসনা সরাসরি অভিযোগ তোলেন যে বিজেপি এবং এবিভিপি-র সমর্থকেরাই তাঁদের ওপর এই ডিম হামলা চালিয়েছে এবং পুলিশ গোটা সময় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।

ডিম থেরাপি’র নামে ঘটা এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দিয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। সংগঠনের পক্ষে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও সদস্য যুক্ত নন এবং তারা এই ধরনের আচরণকে একেবারেই সমর্থন করেন না। বিক্ষোভের মাঝে ক্ষোভের বশে সাধারণ ছাত্রীরাই হয়তো এই কাজ করেছেন।

পাশাপাশি, এবিভিপি নেতৃত্বের অভিযোগ, উপাসনা চৌধুরী পরিকল্পিতভাবে সংবাদ শিরোনামে আসার জন্যই পুরো বিষয়টি সাজিয়েছেন। এছাড়া তিনি একাধিক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মিথ্যা শ্লীলতাহানির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এবিভিপির দাবি, এই সম্পূর্ণ ঘটনার সঙ্গে সংগঠনের নাম জড়ানো ভিত্তিহীন।

অন্যদিকে, এই ডিম ছোড়ার ঘটনাকে এলাকার সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের বহির্প্রকাশ অর্থাৎ ‘জনরোষ’ বলে দাবি করেছেন বিরোধীদের একাংশ। কলেজের বাইরে পুলিশ থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতা দিবসের মতো পবিত্র দিনে এমন ডিম হামলার ঘটনা দক্ষিণ কলকাতার ছাত্র রাজনীতি ও সাধারণ মহলে এক তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর