ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • রাষ্ট্রপতির হাতে জাতীয় সম্মান, জলপাইগুড়ির গর্ব গীতা কর্মকার

রাষ্ট্রপতির হাতে জাতীয় সম্মান, জলপাইগুড়ির গর্ব গীতা কর্মকার

সুস্মিতা রায় ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ জলপাইগুড়ি: আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের গর্বের মুহূর্তে গোটা জলপাইগুড়ি জেলাকে সম্মানের শিখরে পৌঁছে দিলেন জেলার কৃতি নার্স গীতা কর্মকার। দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ ও মর্যাদাপূর্ণ নার্সিং সম্মান ‘জাতীয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল পুরস্কার’ তিনি গ্রহণ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি....

রাষ্ট্রপতির হাতে জাতীয় সম্মান, জলপাইগুড়ির গর্ব গীতা কর্মকার

সুস্মিতা রায় ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ জলপাইগুড়ি: আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের গর্বের মুহূর্তে গোটা জলপাইগুড়ি জেলাকে সম্মানের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


সুস্মিতা রায় ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ জলপাইগুড়ি: আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের গর্বের মুহূর্তে গোটা জলপাইগুড়ি জেলাকে সম্মানের শিখরে পৌঁছে দিলেন জেলার কৃতি নার্স গীতা কর্মকার। দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ ও মর্যাদাপূর্ণ নার্সিং সম্মান ‘জাতীয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল পুরস্কার’ তিনি গ্রহণ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু–র হাত থেকে। এই সম্মান প্রাপ্তির মাধ্যমে জাতীয় স্তরে আরও একবার উজ্জ্বল হয়ে উঠল জলপাইগুড়ির নাম।

জলপাইগুড়ি জেলার বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত গীতা কর্মকার এ বছর পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে এই সম্মানে ভূষিত হন। রোগীসেবায় তাঁর নিরলস নিষ্ঠা, মানবিক আচরণ, পেশাগত দক্ষতা এবং আত্মনিবেদনের স্বীকৃতিস্বরূপই তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সহকর্মীদের মতে, গীতা কর্মকারের কাছে রোগী কখনও কেবল একটি ‘কেস’ নয়, বরং একজন মানুষ—এই দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে৷

বিশেষ করে করোনা মহামারির ভয়াবহ সময়ে তাঁর ভূমিকা ছিল সত্যিই অনন্য। যখন সংক্রমণের ভয়ে অনেকেই আতঙ্কিত, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে আক্রান্ত রোগীদের সেবা করে গিয়েছেন তিনি। দিনের পর দিন পরিবারের সঙ্গে দেখা না করে, দীর্ঘ সময় পিপিই কিট পরে কাজ করেছেন নিরলসভাবে। অসংখ্য করোনা আক্রান্ত রোগীর সেবায় তিনি যে সাহস, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা আজও জেলার মানুষ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

শুধু হাসপাতালের চার দেওয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় তাঁর কাজ। সমাজসেবামূলক নানা কর্মকাণ্ডেও গীতা কর্মকার সক্রিয়ভাবে যুক্ত। জলপাইগুড়ি জেলার নাগরিক সংসদের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক উদ্যোগ এবং দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে চলেছেন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন নার্স নন, বরং ভরসার নাম।

তাঁর এই অসাধারণ সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে গোটা জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে। চিকিৎসক মহল, নার্সিং স্টাফ, প্রশাসনিক কর্তারা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সকলেই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভরিয়ে দিয়েছেন গীতা কর্মকারকে। অনেকের মতে, তাঁর এই সম্মান আগামী প্রজন্মের নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। গীতা কর্মকারের এই অর্জনের মাধ্যমে জলপাইগুড়ির মুকুটে যুক্ত হলো আরও এক গৌরবোজ্জ্বল পালক।


 

শপথ-মঞ্চে সৌজন্যের ‘নজির’, বিমানকে অনন্য সম্মান মমতার

 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর