নয়া জামানা:চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে দক্ষিণাঞ্চলকে হারিয়ে ১৪ বছর পর দলীপ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হল পূর্বাঞ্চল। ২০১২-১৩ মরশুমের পর ঈশান কিষাণ ও বৈভব সূর্যবংশীর নেতৃত্বে ফের দেশের পূর্বে এল এই খেতাব। প্রথম ইনিংসের ফলাফলেই ম্যাচের গতিপথ অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, চতুর্থ দিনে কোনও অঘটন ছাড়া তা বদলায়নি।প্রথম ইনিংসে বিশাল রান তোলে পূর্বাঞ্চল। ঈশান কিষাণ ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন, কুমার কুশাগ্রও ১৩২ বলে সেঞ্চুরি (১০১) করেন। দল থামে ৭০৮ রানে, ফলে দক্ষিণাঞ্চলের সামনে ফলো-অন এড়াতে প্রয়োজন ছিল বড় রান। কিন্তু অধিনায়ক তিলক ভার্মার ৯৯ রান সত্ত্বেও দক্ষিণাঞ্চল মাত্র ৩৩৬ রানে গুটিয়ে যায়।দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে পূর্বাঞ্চলের স্কোর ছিল ২১২/৫। শেষ দিনে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ঈশান কিষাণ ম্যাচ ঘোষণার অনুরোধ জানান। ওপেনার বৈভব (৮) ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৩) ব্যর্থ হলেও শিখর মোহন করেন ৫২ রান, ঈশান কিষাণ নিজে ৮০ রানে আউট হন, কুমার কুশাগ্র মিস করেন হাফ সেঞ্চুরি (৪৬), আর মহম্মদ কৌনেই কুরেশি অপরাজিত থাকেন ১১৬ রানে। পূর্বাঞ্চলের ইনিংস থামে ৩৮৮/৭-এ। দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে মহম্মদ সিরাজ দীর্ঘ স্পেল করলেও অন্য বোলাররা তেমন সাহায্য করতে পারেননি, ফলে ম্যাচ ড্র হয়।তবে জয় নিশ্চিত হতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন পূর্বাঞ্চলের ক্রিকেটাররা, দলগত হাডলে মেতে ওঠে গোটা দল। এই ফাইনাল বিশেষভাবে স্মরণীয়-মহম্মদ শামির শততম প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে জয়, আর মাত্র ১৫ বছর বয়সে অধিনায়ক হিসেবে বৈভব সূর্যবংশীর ট্রফি জয়।