নয়া জামানা,মালদহ: বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তনশীল শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক শিক্ষা ও শিক্ষণ পদ্ধতির নতুন দিশা খুঁজতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল গাজোল কলেজ অফ এডুকেশন।সুইজারল্যান্ডের স্বনামধন্য ‘সুইস ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সায়েন্সেস’-এর সহযোগিতায় কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হল এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স। এবারের সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল-‘রিইমাজিনিং টিচিং অ্যান্ড লার্নিং:গ্লোবাল ট্রেন্ডস, ইনোভেশনস অ্যান্ড এমার্জিং প্র্যাক্টিসেস’।
বিশ্বব্যাপী মহামারী-পরবর্তী সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণ এবং উদ্ভাবনী শিক্ষণ পদ্ধতির প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দেশ-বিদেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মিলনমেলায় পরিণত হওয়া এই মঞ্চে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান হয়।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজোল কলেজ অফ এডুকেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. এম. সেলিম।কনফারেন্সের আইকিউএসি কনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শুভাশীষ স্বর্ণকার।প্রধান বক্তা হিসেবে অংশ নেন সুইজারল্যান্ডের ড. হুং জিয়াং, থাইল্যান্ডের ড. চাইওয়াত ফুয়াক্ষং,শ্রীলঙ্কার ড. রভীনথিরান,ড. দেবব্রত দেবনাথ এবং ড. তাপস পাল।
বিশিষ্ট বক্তারা বিশ্বজুড়ে শিক্ষাক্ষেত্রে উদীয়মান নতুন প্রবণতা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উদ্ভাবনী চিন্তাধারাকে শিক্ষার মূল স্রোতে অন্তর্ভুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন।গাজোল কলেজ অফ এডুকেশনের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন শিক্ষকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মত প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।
আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে গাজোল কলেজ অফ এডুকেশন শুধু মালদা নয়, গোটা রাজ্যের শিক্ষা জগতেও এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।