ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • বিনোদন /
  • স্থূলতাই সৌন্দর্যের প্রতীক! পুরুষের অতিকায় ভুঁড়িতেই মুগ্ধ নারীরা,জানুন সেই অদ্ভুত রীতি

স্থূলতাই সৌন্দর্যের প্রতীক! পুরুষের অতিকায় ভুঁড়িতেই মুগ্ধ নারীরা,জানুন সেই অদ্ভুত রীতি

নয়া জামানা : সৌন্দর্যের প্রচলিত ধ্যানধারণাকে উলটে দিয়েছে ইথিওপিয়ার প্রত্যন্ত ওমো উপত্যকায় বসবাসকারী বোদি জনগোষ্ঠী। যেখানে বিশ্বজুড়ে সুঠাম, পেশিবহুল শরীরকেই আকর্ষণের মাপকাঠি ধরা হয়, সেখানে বোদি সম্প্রদায়ে ঠিক তার বিপরীত চিত্র। তাদের কাছে স্থূলতাই সৌন্দর্য ও পুরুষত্বের সর্বোচ্চ প্রতীক। এই....

স্থূলতাই সৌন্দর্যের প্রতীক! পুরুষের অতিকায় ভুঁড়িতেই মুগ্ধ নারীরা,জানুন সেই অদ্ভুত রীতি

নয়া জামানা : সৌন্দর্যের প্রচলিত ধ্যানধারণাকে উলটে দিয়েছে ইথিওপিয়ার প্রত্যন্ত ওমো উপত্যকায় বসবাসকারী বোদি জনগোষ্ঠী। যেখানে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা : সৌন্দর্যের প্রচলিত ধ্যানধারণাকে উলটে দিয়েছে ইথিওপিয়ার প্রত্যন্ত ওমো উপত্যকায় বসবাসকারী বোদি জনগোষ্ঠী। যেখানে বিশ্বজুড়ে সুঠাম, পেশিবহুল শরীরকেই আকর্ষণের মাপকাঠি ধরা হয়, সেখানে বোদি সম্প্রদায়ে ঠিক তার বিপরীত চিত্র। তাদের কাছে স্থূলতাই সৌন্দর্য ও পুরুষত্বের সর্বোচ্চ প্রতীক। এই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করেই প্রতি বছর নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত হয় ‘কা’এল’ নামের এক অনন্য উৎসব, যেখানে বেছে নেওয়া হয় গোষ্ঠীর সবচেয়ে স্থূলকায় পুরুষটিকে।

উৎসবের ছয় মাস আগেই শুরু হয়ে যায় প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি। বোদি সম্প্রদায়ের ১৪টি গোত্র থেকে একজন করে অবিবাহিত পুরুষকে প্রতিযোগী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। এই সময় প্রতিযোগীদের একমাত্র কাজ থাকে যতটা সম্ভব ওজন বাড়ানো। তারা সব ধরনের শারীরিক পরিশ্রম থেকে বিরত থেকে কুঁড়েঘরে বিশ্রামে কাটান, আর গোত্রের নারীরা তাদের নিয়মিত খাবার সরবরাহ করেন।
দ্রুত ওজন বাড়াতে সহায়ক খাবারই তাদের খাদ্যতালিকায় প্রাধান্য পায়, যার মূল উপকরণ গরুর তাজা রক্ত ও দুধ। তবে বোদি সংস্কৃতিতে গরু অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত হওয়ায় তা হত্যা করা হয় না। এর বদলে বর্শা দিয়ে গরুর শিরায় সূক্ষ্ম ছিদ্র করে রক্ত সংগ্রহ করা হয়, পরে সেই ক্ষতস্থান কাদা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এভাবেই ছয় মাস ধরে চলে প্রস্তুতি, আর তার প্রভাবে প্রতিযোগীদের শরীরে দেখা দেয় চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন।

কা’এল উৎসবের দিন প্রতিযোগীরা শরীরে ছাই ও মাটি মেখে, ঐতিহ্যবাহী অলংকারে সজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এই সময় তাদের চেহারার সঙ্গে ছয় মাস আগের অবস্থার আর কোনও মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রতিযোগীরা একটি পবিত্র গাছকে ঘিরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রদক্ষিণ করেন। সেখানে উপস্থিত থাকেন বিচারকরা এবং গোষ্ঠীর নারীরাও— শুধু উৎসাহ জোগাতে নয়, বরং সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার উদ্দেশ্যেও।

উৎসবের শেষে যাকে ‘বছরের সবচেয়ে স্থূল পুরুষ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তিনি কোনও আর্থিক পুরস্কার, জমি বা বস্তুগত উপহার পান না। বরং তিনি অর্জন করেন এমন এক সম্মান, যা বোদি সমাজে সর্বাধিক মূল্যবান বলে বিবেচিত হয়— সারা জীবনের জন্য গোটা সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধা, মর্যাদা ও স্বীকৃতি।
বাংলার প্রেক্ষাপটে বসে এই রীতি হয়তো হাস্যকর ঠেকতে পারে, কিন্তু বোদি জনগোষ্ঠীর কাছে এটি নিছক আনন্দ-উৎসব নয়, বরং তাদের সংস্কৃতি, পরিচয় ও মূল্যবোধের এক গভীর প্রকাশ। শরীরী সৌন্দর্যের সংজ্ঞা যে সমাজভেদে কতটা ভিন্ন হতে পারে, কা’এল উৎসব তারই এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।


ভোটের আগে ফের ফাটল আলিমুদ্দিনে, সেলিমকে চিঠি দিয়ে ইস্তফা প্রতীকের

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর