ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • কলকাতা /
  • নবান্ন নয়, রাইটার্স থেকেই বিজেপির সরকার পরিচালনার সম্ভাবনা

নবান্ন নয়, রাইটার্স থেকেই বিজেপির সরকার পরিচালনার সম্ভাবনা

নয়া জামানা ডেস্ক : বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে এক ঐতিহাসিক পালাবদল ঘটেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গড়তে চলেছে পদ্ম শিবির, যার ফলে প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ ও....

নবান্ন নয়, রাইটার্স থেকেই বিজেপির সরকার পরিচালনার সম্ভাবনা

নয়া জামানা ডেস্ক : বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে এক ঐতিহাসিক পালাবদল ঘটেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে এক ঐতিহাসিক পালাবদল ঘটেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গড়তে চলেছে পদ্ম শিবির, যার ফলে প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর স্পষ্ট কথা, নবান্ন নয়, বরং ঐতিহ্যের রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই নতুন সরকারের কাজকর্ম পরিচালনার সম্ভাবনা প্রবল।

গত বছর বিজেপির রাজ্য সভাপতি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন যে, ২০২৬ সালে রাজ্যে পরিবর্তন আসবেই এবং তাঁদের মুখ্যমন্ত্রী মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ সামলাবেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর সেই একই সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। শমীকের কথায়, তৃণমূলের পরাজয় কেবল সময়ের অপেক্ষা ছিল, আর এখন সেই জনমত বাস্তবায়িত হয়েছে। তাঁদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দিনে প্রশাসনকে আবার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এগোচ্ছে দল।

উল্লেখ্য, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে নবান্ন। ফলে প্রশাসনিক কেন্দ্র পরিবর্তনের সম্ভাবনা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।নির্বাচনী ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে যে, রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে আমূল পরিবর্তন এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস-এর বহু শক্ত ঘাঁটি ভেঙে দিয়েছে বিজেপি। এমনকি দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রেও চমকপ্রদ ফলাফল সামনে এসেছে, যেখানে তৃণমূল নেত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী-র কাছে। একইসঙ্গে, নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেও জয়লাভ করেছেন শুভেন্দু, যা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
এবারের নির্বাচনে আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল বিদায়ী সরকারের একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রীর পরাজয়। প্রায় ২০ জন মন্ত্রী ভোটে হেরে গিয়েছেন, যা শাসক দলের পক্ষে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন পর বিধানসভায় প্রত্যাবর্তন ঘটেছে বাম শিবির ও কংগ্রেসের। ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস—উভয় দলই এবার আসন পেয়ে বিধানসভায় নিজেদের উপস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।নবান্ন থেকে প্রশাসন কি সত্যিই রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফিরবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে রাজনৈতিক মহল। ২০২৬ সালের এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। ক্ষমতার পালাবদলের পাশাপাশি প্রশাসনিক কাঠামোতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা আগামী দিনের শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।


বিজেপি নয়, ‘সম্মানজনক শর্তে’ তৃণমূলকে, সমর্থন করতে রাজি ‘বিদ্রোহী’ হুমায়ুন কবীর

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর