ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • সরকারি মঞ্চে ‘রাজনৈতিক প্রচারের’ অভিযোগ, মমতার নিশানায় মোদী

সরকারি মঞ্চে ‘রাজনৈতিক প্রচারের’ অভিযোগ, মমতার নিশানায় মোদী

নয়া জামানা ডেস্ক : সরকারি প্রচার মাধ্যমকে রাজনৈতিক স্বার্থে ‘অপব্যবহার’ করার অভিযোগে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় দলীয় প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগের সমর্থনে আয়োজিত জনসভা থেকে পালটা সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, ‘দূরদর্শন সরকারের....

সরকারি মঞ্চে ‘রাজনৈতিক প্রচারের’ অভিযোগ, মমতার নিশানায় মোদী

নয়া জামানা ডেস্ক : সরকারি প্রচার মাধ্যমকে রাজনৈতিক স্বার্থে ‘অপব্যবহার’ করার অভিযোগে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : সরকারি প্রচার মাধ্যমকে রাজনৈতিক স্বার্থে ‘অপব্যবহার’ করার অভিযোগে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় দলীয় প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগের সমর্থনে আয়োজিত জনসভা থেকে পালটা সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, ‘দূরদর্শন সরকারের প্রচার কেন্দ্র। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী কাল (শনিবার) রাজনৈতিক প্রচার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধেও তো কমপ্লেন হওয়া উচিত। দেখছি কাকে দিয়ে করানো যায়।’ শুক্রবার লোকসভায় মহিলাদের আসন বৃদ্ধি সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্র। সেই প্রসঙ্গে শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মোদী বিরোধীদের বিঁধলে মমতা পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘সরকারি জায়গা ব্যবহার করে কাল কেঁদে কেঁদে প্রধানমন্ত্রী বললেন তাঁদের নাকি মহিলা সংরক্ষণ করতে দেওয়া হয়নি। আমি বলব, ওটা তো ২০২৩ সালে পাশ হয়ে গিয়েছিল। তবে কেন কার্যকর হল না?’ মমতার অভিযোগ, ৫৪৩টি আসন থাকলে মোদী হেরে যাবেন জেনেই আসন সংখ্যা ৮৪০ করে দেশ ও রাজ্য ভাঙার পরিকল্পনা ছিল কেন্দ্রের। তাঁর দাবি, বিরোধীরা জোটবদ্ধ হয়ে সেই ছক রুখে দিয়েছে এবং অচিরেই মোদী সরকার পড়ে যাবে। কালনার মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের ‘মাতৃশক্তি কার্ড’ বিলিকেও ‘বেআইনি’ ও ‘ভাঁওতা’ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় নেতৃত্বকে এই বিষয়ে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়ে মমতা বলেন, ‘এখানে এসে অর্থমন্ত্রী বেআইনি ভাবে কার্ড বিলি করে গিয়েছেন। আমি তাঁকে ধিক্কার জানাই। বলি, নির্বাচনের সময় কার্ড বিলি করা মানে বিধিভঙ্গ।’ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি দাবি করেন, এই কার্ডের নাম করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ঠিকানার তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মমতা বলেন, ‘যে টুকু লক্ষ্মীর ভান্ডার পান সে টুকুও নিয়ে নেবে। লুটে নেবে।’ ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতিসক্রিয়তা নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল প্রার্থীদের বাড়ি ও কার্যালয়ে ইডি-সিবিআই হানাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘তোমরা তো বসন্তের কোকিলের মতো নির্বাচনের সময় আসো। তার পরে আর দেখা পাওয়া যায় না।’ বিজেপির পতন শুরু হয়ে গিয়েছে দাবি করে মমতার হুঁশিয়ারি, ‘বিজেপি থাকবে না। আমাদেরও নাম, ঠিকানা মুখস্থ আছে, রেকর্ড আছে। আমরা আমাদের মতো আইনি ব্যবস্থা নেব।’ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের জন্য বকেয়া চার শতাংশ ডিএ দ্রুত মেটানোর আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের জন্য আলাদা বাজেট এবং ‘দুয়ারে স্বাস্থ্য’ প্রকল্পের ঘোষণাও করেন তিনি। তবে সব শেষে সরাসরি খুনের চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বিজেপিকে বিঁধে মমতা বলেন, ‘বিজেপি আমাকে খুন করার চেষ্টা করছে। ক্ষমতা থাকলে বলো, কখন কোথায় করবে। আমি একা দাঁড়িয়ে থাকব। বন্দুকটা আমার বুকে চালিয়ে দাও, আমি বুক পেতে নেব। কিন্তু মাথানত করব না।’ মমতার এই চাঁচাছোলা আক্রমণ বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণে নয়া মাত্রা যোগ করেছে। ছবি সংগৃহিত।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর