অশোক মিত্র, নয়া জামানা, ধূপগুড়ি: ধূপগুড়ি শহরে মনীষীদের নাম ঘিরে রাজনৈতিক তরজা যখন তুঙ্গে, তখন বাস্তব চিত্র কার্যত ভিন্ন কথা বলছে। বুধবার ধূপগুড়ি শহরে তৃণমূল কংগ্রেস-এর পক্ষ থেকে মহাত্মা গান্ধীকে কেন্দ্র করে ‘গান্ধীগিরি’ কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টার লাগিয়ে রাজনৈতিক বার্তা ছড়ানো হয়।
পোস্টারগুলিতে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ভারতীয় জনতা পার্টি-র এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘জাতির জনককে দেশদ্রোহী আখ্যা দেওয়া’ সংক্রান্ত অভিযোগও তোলা হয়। তৃণমূলের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।
তবে এই রাজনৈতিক প্রচারের আড়ালেই সামনে এসেছে অন্য এক বাস্তবতা। ধূপগুড়ি পুরসভার অধীনে থাকা একাধিক স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীর মূর্তি পড়ে রয়েছে চরম অবহেলা ও অযত্নে। কোথাও মূর্তির রং উঠে গিয়েছে, কোথাও ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে, আবার অনেক জায়গায় চারপাশ জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণের কোনও চিহ্ন চোখে পড়ে না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় মনীষীদের নাম ও ভাবমূর্তিকে সামনে এনে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ভোট মিটে গেলে তাঁদের স্মৃতির সংরক্ষণ, মূর্তির রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা প্রকৃত সম্মান রক্ষায় তেমন কোনও উদ্যোগ দেখা যায় না। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—শ্রদ্ধা কি শুধুই পোস্টার ও স্লোগানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, নাকি তার বাস্তব প্রতিফলনও প্রয়োজন?
মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলায় গ্রেপ্তার বেড়ে ৯,থানায় অভিযোগ তৃণমূলের