অভিজিত চক্রবর্তী, নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর সংক্রান্ত বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরাসরি নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কমিশনের বিরুদ্ধে। আলিপুরদুয়ার জেলার দমনপুর হাট-এ তৃণমূল প্রার্থী সুমন কাঞ্জিলাল-কে প্রচার করতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুমন কাঞ্জিলাল কয়েকজন দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে দমনপুর হাটে যান। নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি তিনি হাটে আসা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সমর্থনের আবেদন জানাচ্ছিলেন। অভিযোগ, কর্মসূচি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁকে প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দেন।
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাটে প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি তৃণমূল প্রার্থীর কাছে ছিল না। তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ সুমন কাঞ্জিলাল। তাঁর দাবি, তাঁরা কোনও মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহার করছিলেন না, কেবল সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করছিলেন। সুমনবাবুর অভিযোগ, তাঁদের পৌঁছানোর ঠিক আগেই ভারতীয় জনতা পার্টি-র প্রার্থী একই হাটে মাইক ব্যবহার করে দীর্ঘক্ষণ প্রচার চালিয়েছেন, অথচ তখন কমিশনের কোনও আপত্তি চোখে পড়েনি।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, কমিশনের এই আচরণ সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্ট। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে এসব করা হচ্ছে। কমিশনের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত বিতর্ক এড়াতে হাট চত্বর ত্যাগ করেন তিনি। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুরদুয়ারের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
রণক্ষেত্র বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় , ছাত্র আন্দোলনে পুলিশি বাধা, অবস্থান বিক্ষোভে এসএফআই