নয়া জামানা ডেস্ক : গত ২৭ ফেব্রুয়ারি চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পর, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় গিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন রাজীব কুমার, কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয় এবং মেনকা গুরুস্বামী। একই দিনে বিজেপির তরফে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাহুল সিনহা। অভিজ্ঞ প্রশাসক থেকে শুরু করে গ্ল্যামার জগত ও আইন জগতের দিকপালদের প্রার্থী করে তৃণমূল তাদের সংসদীয় রণকৌশলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে।বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই বিধানসভায় পৌঁছে যান রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। মাদার টেরেসার উক্তি স্মরণ করে তিনি জানান, “আমি মনে করি না, ভগবান আমাকে এমন কোনো দায়িত্ব দিতে পারে, যা আমি পালন করতে পারব না।” অন্যদিকে, টলিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের রাজনীতিতে পদার্পণ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা তুঙ্গে ছিল। এদিন স্বামী নিসপাল সিং রানেকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে এসে কোয়েল বলেন, “সবার ভালোবাসা ও আশীর্বাদ পেলে এই যাত্রা সফল হবে। আমি সাধ্যমতো দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।” এছাড়া প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীও এদিন তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন।নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৫ মার্চ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ৬ মার্চ জমা পড়া আবেদনগুলি যাচাই করা হবে এবং ৯ মার্চ নাম প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে। যদি কোনো আসনে একজনই প্রার্থী থাকেন, তবে সেক্ষেত্রে ভোটাভুটির প্রয়োজন হবে না। আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ৫টি আসনসহ দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগামী ২ এপ্রিল পাঁচজন রাজ্যসভা সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তৃণমূলের সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সীর পাশাপাশি সিপিএমের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মেয়াদও একই দিনে শেষ হচ্ছে। এছাড়া মৌসম বেনজির নূর আগেই ইস্তফা দিয়েছেন। এই পাঁচটি শূন্য আসনেই নতুন করে প্রতিনিধি পাঠানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও মহারাষ্ট্র (৭), ওড়িশা (৪), তামিলনাড়ু (৬), অসম (৩), বিহার (৫), ছত্তিশগড় (২), হরিয়ানা (২), হিমাচল প্রদেশ (১) এবং তেলঙ্গানার (২) মতো রাজ্যগুলোতেও একই সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।