অঞ্জন শুকুল,নয়া জামানা, নদীয়া: লক্ষ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। প্রধানসহ দুই তৃণমূল নেতাকে ২৪ ঘন্টা সময় দিল বিজেপি। না হলে কোমরে দড়ি বেঁধে জেলে ঢোকানোর হুঁশিয়ারি!উল্লেখ্য, ২০২৬ এ পালাবদলের পর তৃণমূল নেতা থেকে শুরু করে মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। ঠিক সেই রকম নদীয়াতেও প্রাক্তন তৃণমূলের মন্ত্রী এবং তৃণমূলের চেয়ারম্যান গ্রেফতার হয়েছে সরকারি ত্রাণ অবৈধভাবে মজুত রাখার অভিযোগে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এবার আরো এক বড় দুর্নীতি সামনে আনল বিজেপি। শান্তিপুর বিধানসভার অন্তর্গত বেলঘড়িয়া-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূল পরিচালিত। মূলত এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কেন্দ্র সরকারের একাধিক প্রকল্পের টাকা এরা নয়-ছয় করেছে। পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে বিভিন্ন কাগজপত্র তুলে দেখা যাচ্ছে যে সমস্ত প্রকল্পের কাজ হয়ে গিয়েছে দেখানো হয়েছে অথচ বাস্তবে কোন কাজই হয়নি। বিভিন্ন রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে জল প্রকল্প এবং কেন্দ্র সরকারের অন্যান্য প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনছে এবার তারা। বিজেপি নেতাদের দাবি পালা বদলের পর পঞ্চায়েতে গিয়ে পুরনো কাগজপত্র ঘেটে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে টাকা তোলা হয়েছে। কিন্তু সেই সমস্ত প্রকল্পের কাজ হয়নি। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা নয়-ছয়ের অভিযোগ উঠল ওই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। বেলঘড়িয়া-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান এবং এই দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতি সদস্য সুব্রত সরকার এবং আরেক পঞ্চায়েত সমিতির মেম্বার প্রেমানন্দ এই তিন জনকে ২৪ ঘন্টা সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে আত্মসমর্পণের জন্য। হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে, তারা যদি আত্মসমর্পণ না করে তাহলে জনগণ তাদের মাজায় দড়ি বেঁধে পুলিশের কাছে নিয়ে যাবে।
আরো পড়ুন
তৃণমূল স্তরে বিদ্রোহ রুখতে নতুন আইন , বিধানসভায় পাশ পঞ্চায়েত সংশোধনী বিল