ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • দক্ষিণ দিনাজপুরে একগুচ্ছ চমক, কিন্তু সংখ্যালঘু খাতে বাজেটে কোপ—হতাশায় জেলাবাসী 

দক্ষিণ দিনাজপুরে একগুচ্ছ চমক, কিন্তু সংখ্যালঘু খাতে বাজেটে কোপ—হতাশায় জেলাবাসী 

সাজাহান আলি,নয়া জামানা,দক্ষিণ দিনাজপুর: পরিবর্তনের সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রস্তাবের কারণে আশায় বুক বাঁধছেন জেলার অগণিত মানুষ। জেলার বালুরঘাটে মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বালুরঘাট বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে রাজ্য সরকারের সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো....

দক্ষিণ দিনাজপুরে একগুচ্ছ চমক, কিন্তু সংখ্যালঘু খাতে বাজেটে কোপ—হতাশায় জেলাবাসী 

সাজাহান আলি,নয়া জামানা,দক্ষিণ দিনাজপুর: পরিবর্তনের সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রস্তাবের কারণে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


সাজাহান আলি,নয়া জামানা,দক্ষিণ দিনাজপুর: পরিবর্তনের সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রস্তাবের কারণে আশায় বুক বাঁধছেন জেলার অগণিত মানুষ। জেলার বালুরঘাটে মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বালুরঘাট বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে রাজ্য সরকারের সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাব, গঙ্গারামপুরের পার্শ্ববর্তী কুশমন্ডি বিধানসভা এলাকায় টেক্সটাইল হাব তৈরি , আত্রেয়ী খাড়ি ও কাশিয়া খাড়ির পাড় মজবুত করতে ও ভূমিক্ষয় রোধে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ২০০ কোটি টাকার ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব জেলাবাসীকে উন্নয়নের প্রশ্নে নতুনভাবে উৎসাহিত করছে। এছাড়াও নানাবিধ উন্নয়নে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এই বাজেটে থাকলে ভালো হতো বলে জেলার মানুষদের ধারণা। সর্বোপরি সংখ্যালঘু উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন রাজ্য সরকারের আর্থিক বরাদ্দ কমে যাওয়ায় হতাশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজন। সকলের আশা ও প্রত্যাশা পূরণের উত্তর আগামী দিনে মিলবে বলে জেলার মানুষ মনে করছেন। জেলাবাসী আশা করছে , চলতি বছরের (২০২৬) মধ্যেই বালুরঘাট বিমানবন্দরের বহু প্রতীক্ষিত বিমান পরিষেবা পুনরায় শুরু হয়ে যাবে।

মেডিকেল কলেজ ও বালুরঘাট বিমানবন্দরের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিকাঠামোগত ও শিক্ষার সম্প্রসারণ এর মাধ্যমে আরও উন্নত করে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে। তপন বিধানসভার অধীন মাহিনগর এলাকায় দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো নির্মাণ ও শিক্ষা সংক্রান্ত সম্প্রসারণের চিন্তাভাবনা আগামী এক বছরের মধ্যে অনেকটা হবে বলে শিক্ষানুরাগী মহল মনে করছে। এছাড়া তপন বিধানসভার অন্তর্গত আত্রেয়ী খাঁড়ি ও কাশিয়া খাঁড়ির পাড় মজবুত করতে এবং এলাকার ভূমিক্ষয় রোধ করতে ও অন্যান্য পরিকাঠামো উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকার কাজ করার প্রস্তাব রাজ্য সরকারের তরফে করা হয়েছে বলে বিধায়ক বুধরাই টুডু জানান।অন্যদিকে এবারের রাজ্য বাজেটে গঙ্গারামপুরের পার্শ্ববর্তী কুশমন্ডি বিধানসভা এলাকায় একটি টেক্সটাইল হাব গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই হাবে গঙ্গারামপুরের জৌলুশ হারাতে বসা বিখ্যাত তাঁত শিল্পের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে এবং তাঁতের শাড়ি তৈরি ,এর বাজারজাতকরণ এবং তাঁতিদের উন্নয়নের বিষয়টি বিশেষভাবে তালিকায় রাখা হয়েছে। কিন্তু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ অনেকটা হতাশ। কারণ এবার সংখ্যালঘু উন্নয়নে ব্যয় বরাদ্দ কমে গিয়েছে ,মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার করা হচ্ছে এবং সংখ্যালঘুদের সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়টিকে সরকার সেভাবে গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ ও অভিমান শোনা যাচ্ছে।তপন ব্লকের সংখ্যালঘু নেতা তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী মিজানুর রহমান আক্ষেপ করে জানালেন,রাজ্য সরকারের প্রথম বাজেটের উপর আমাদের গভীর প্রত্যাশা ছিল। এর অনেকটা পূরণ হলেও সংখ্যালঘু উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা ও প্রস্তাব হতাশা জনক। এর ফলে সমাজে একটা বিভেদের বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে এবং বাংলার এতকালের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হওয়ার একটা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবুও মিজানুর রহমানের আশা , আগামী দিনে নিশ্চয় সরকার সংখ্যালঘুদের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাংলার ঐতিহ্য বজায় রাখবে। কারণ আমরা নিশ্চিত করে জানি ,বিজেপি সরকার গঠনের পেছনে সংখ্যায় কম হলেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সমর্থন অবশ্যই ছিল। কারণ প্রকৃত উন্নয়নের প্রশ্নে সকল বাসিন্দাদের উন্নয়ন ভীষণ প্রয়োজন।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর