ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • বিজেপি নেত্রীর স্বামী পুলিশ পর্যবেক্ষক, অপসারণ চেয়ে কমিশনে জোড়াফুল শিবির

বিজেপি নেত্রীর স্বামী পুলিশ পর্যবেক্ষক, অপসারণ চেয়ে কমিশনে জোড়াফুল শিবির

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের মুখে পুলিশ পর্যবেক্ষকের নিরপেক্ষতা নিয়ে এবার নজিরবিহীন সংঘাতের পথে জোড়াফুল শিবির। আইপিএস অফিসার জয়ন্ত কান্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি ভারতের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগের মূলে রয়েছে তাঁর স্ত্রীর রাজনৈতিক পরিচয়। জয়ন্তের....

বিজেপি নেত্রীর স্বামী পুলিশ পর্যবেক্ষক, অপসারণ চেয়ে কমিশনে জোড়াফুল শিবির

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের মুখে পুলিশ পর্যবেক্ষকের নিরপেক্ষতা নিয়ে এবার নজিরবিহীন সংঘাতের পথে জোড়াফুল শিবির।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের মুখে পুলিশ পর্যবেক্ষকের নিরপেক্ষতা নিয়ে এবার নজিরবিহীন সংঘাতের পথে জোড়াফুল শিবির। আইপিএস অফিসার জয়ন্ত কান্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি ভারতের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগের মূলে রয়েছে তাঁর স্ত্রীর রাজনৈতিক পরিচয়। জয়ন্তের স্ত্রী স্মৃতি পাসওয়ান বিজেপির একজন সক্রিয় নেত্রী হওয়ায় মালদহের ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতের আশঙ্কা করছে শাসক দল। অবিলম্বে এই আইপিএস আধিকারিককে পদ থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছে জোড়াফুল শিবির।

তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য তথা রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন এই মর্মে কমিশনকে একটি কড়া অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, আইপিএস অফিসার জয়ন্ত কান্তের স্ত্রী স্মৃতি পাসওয়ান কেবল বিজেপির সদস্যই নন, বরং তিনি নিজেকে ‘বিজেপির একনিষ্ঠ সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিহারের পটনায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করেছিলেন। এমনকি বিহারের জামুই লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমন এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের স্বামী বাংলার পুলিশ পর্যবেক্ষক হলে ভোটের ময়দানে স্বচ্ছতা বজায় থাকা অসম্ভব বলে মনে করছে তৃণমূল।

তৃণমূলের দাবি, একজন পুলিশ পর্যবেক্ষকের প্রধান কাজ হলো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং সব দলের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ‘অবজার্ভার হ্যান্ডবুক’ অনুযায়ী, পর্যবেক্ষকদের আচরণে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। এমতাবস্থায় যাঁর স্ত্রী সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, সেই অফিসারের পক্ষে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করা সম্ভব নয়। চিঠিতে তৃণমূল লিখেছে, ‘নির্বাচন কমিশনকে কেবল নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেই হবে না, বরং তাদের কাজ যে নিরপেক্ষ, তা জনসাধারণের কাছে প্রতিভাতও হতে হবে।’ অতীতেও এমন পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে বহু অফিসারকে সরানোর নজির কমিশনের রয়েছে বলে মনে করিয়ে দিয়েছে তারা।

এই পরিস্থিতিতে কমিশনের কাছে চারটি দাবি জানিয়েছে তৃণমূল। প্রথমত, পুলিশ অবজার্ভার হিসেবে জয়ন্তের নিয়োগ বাতিল করতে হবে। দ্বিতীয়ত, তাঁকে নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে। তৃতীয়ত, তাঁর পরিবর্তে একজন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অফিসারকে নিয়োগ করতে হবে এবং চতুর্থত, অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে। মালদহের চারটি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা জয়ন্ত এবং তাঁর স্ত্রীর ছবি প্রকাশ করে মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং সাংসদ পার্থ ভৌমিক। রাজ্য জুড়ে মোট ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন, যার মধ্যে জয়ন্ত কান্তের অপসারণ এখন সময়ের অপেক্ষা কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।


 

১২০০ কণ্ঠে কোরআন পাঠ,বুধেই শুরু হল হুমায়ুনের বাবরি মসজিদের নির্মাণ কাজ

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর