• Home /
  • মহানগর /
  • মমতাকে জেতাতে নকল আঙুল কেনা হয়েছে,বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতাকে জেতাতে নকল আঙুল কেনা হয়েছে,বিস্ফোরক শুভেন্দু

নয়া জামানা ডেস্ক : ভবানীপুরের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের ঠিক মুখে ‘নকল আঙুল’ বিতর্ক উসকে দিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগে শাসকদলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর কারচুপির অভিযোগ আনলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল....

মমতাকে জেতাতে নকল আঙুল কেনা হয়েছে,বিস্ফোরক শুভেন্দু

নয়া জামানা ডেস্ক : ভবানীপুরের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের ঠিক মুখে ‘নকল আঙুল’ বিতর্ক উসকে দিলেন বিজেপি প্রার্থী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ভবানীপুরের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের ঠিক মুখে ‘নকল আঙুল’ বিতর্ক উসকে দিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগে শাসকদলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর কারচুপির অভিযোগ আনলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস অন্তত ৭৫০টি কৃত্রিম আঙুল কিনেছেন। একটি প্লাস্টিকের আঙুলের নমুনা দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, বুথে জাল ভোট দেওয়ার পর আঙুলের কালি সরাতেই এই অভিনব কৌশল নিয়েছে তৃণমূল। যদিও এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে শাসক শিবির। ভোটের আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে সুর চড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘সাড়ে ৭০০ নকল আঙুল কিনেছেন (৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর)। করতে দেব না। নিকৃষ্ট মানের ভোট চোর। ধরা পড়ে গিয়েছে। পারবে না করতে।’ তাঁর দাবি, ভোটদাতাদের আঙুলে কালি দেওয়ার পর বুথ থেকে বেরিয়েই ওই নকল আঙুল খুলে ফেলবেন তৃণমূল কর্মীরা। এর পাশাপাশি বুথ স্লিপ নিয়েও কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘৩,৮১০টি বিএলও স্লিপ ফিরে এসেছে। তা-ও চিহ্নিত করেছি।’ সংশ্লিষ্ট ভোটারদের হদিশ মেলেনি দাবি করে সেই তালিকা দলের এজেন্টদের হাতে তুলে দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। পাল্টা জবাবে তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস বলেন, ‘বিজেপি প্রার্থী যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। গণতন্ত্রে এ ভাবে ভোট দেওয়ার জন্য কোনও দিন নকল আঙুল কেনা যায় না। তাই এমন ভিত্তিহীন অভিযোগের আমাদের কাছে কোনও জবাব নেই।’ তৃণমূলের প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্ব না দিয়ে শুভেন্দু নিজের দাবিতেই অনড়। তৃণমূলের পরাজয় এখন ‘সময়ের অপেক্ষা’ দাবি করে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, ‘হাই কোর্টে যেমন কানমলা খেয়েছেন, বুধবার সকাল থেকে ভবানীপুরের জনগণ আপনাদের কানমলা দেবে। যে ব্যবস্থা কমিশন নিয়েছে, যে ভাবে সক্রিয় হয়েছে পুলিশ পর্যবেক্ষক, পুলিশের একটা অংশ যে ভাবে নিরপেক্ষ হয়ে গিয়েছে, জেগে গিয়েছে জনতা। ভোট পাবেন না মমতা।’ ৪ জুন গণনার দিন পর্যন্ত তৃণমূলকে ‘ছোটানোর’ হুঁশিয়ারিও শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়। সব মিলিয়ে ভোটের সকালেই ভবানীপুরের পারদ তুঙ্গে। ফাইল ফটো।


জোট স্বপ্নে জল হলেও নওশাদ, অধীরকে জেতাতে মরিয়া হুমায়ুন

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর