ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • প্রার্থী অসন্তোষে ফুটছে বঙ্গ রাজনীতি, দিকে দিকে বিক্ষোভ দুই ফুল শিবিরের

প্রার্থী অসন্তোষে ফুটছে বঙ্গ রাজনীতি, দিকে দিকে বিক্ষোভ দুই ফুল শিবিরের

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের দামামা বাজতেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল শাসক ও বিরোধী শিবিরের অন্দরমহল। বেলেঘাটা থেকে বৈষ্ণবনগর, খণ্ডঘোষ থেকে বসিরহাট প্রার্থী বদলের দাবিতে সরব কর্মী-সমর্থকরা। কোথাও বিজেপি নেতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, কোথাও আবার তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে....

প্রার্থী অসন্তোষে ফুটছে বঙ্গ রাজনীতি, দিকে দিকে বিক্ষোভ দুই ফুল শিবিরের

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের দামামা বাজতেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল শাসক ও বিরোধী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের দামামা বাজতেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল শাসক ও বিরোধী শিবিরের অন্দরমহল। বেলেঘাটা থেকে বৈষ্ণবনগর, খণ্ডঘোষ থেকে বসিরহাট প্রার্থী বদলের দাবিতে সরব কর্মী-সমর্থকরা। কোথাও বিজেপি নেতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, কোথাও আবার তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘বহিরাগত’ পোস্টার। শুক্রবার দিনভর উত্তপ্ত রইল সল্টলেকের বিজেপি দফতর থেকে শুরু করে জেলাস্তরের দলীয় কার্যালয়গুলি। প্রার্থী অসন্তোষের এই চোরাস্রোত এখন বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুই শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে।

সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরের সামনে এদিন ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বেলেঘাটা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পার্থ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো কর্মী। পরিস্থিতি সামাল দিতে সশরীরে রাস্তায় নামেন শমীক ভট্টাচার্য ও লকেট চট্টোপাধ্যায়। বিক্ষোভকারীদের মিছিলে সামিল ছিলেন ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। ক্ষুব্ধ বিশ্বজিতের সোজাসাপ্টা অভিযোগ, ‘আমার ভাইকে খুন করেছিল তৃণমূল। তার বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হচ্ছে। তা এটা লড়াই? না তৃণমূলকে সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা। বিজেপির অনেক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে। কিন্তু এই প্রার্থীকে আমরা চাই না।’ যদিও কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করে শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানান, প্রার্থী নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ‘কিছু হয়নি। মতবিরোধ থাকতে পারে। আমরা এটা পরিবার। সমস্যা মিটে যাবে।’

বিক্ষোভের আঁচ তীব্র ভাবে ছড়িয়েছে মালদহ ও হুগলিতেও। বৈষ্ণবনগরে বিজেপি প্রার্থী রাজু কর্মকারকে ‘বহিরাগত’ তকমা দিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান কর্মীরা। তাঁদের দাবি, রাজু এলাকার বাসিন্দা নন এবং সরাসরি দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। একই ছবি হুগলির জেলা কার্যালয়ে। বলাগড় কেন্দ্রে প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী সুমনা সরকারকে প্রার্থী করায় ফুঁসছে গেরুয়া শিবির। কর্মীদের অভিযোগ, গত কয়েক বছর তাঁকে এলাকায় সক্রিয় ভাবে দেখাই যায়নি, অথচ তাঁকেই টিকিট দেওয়া হয়েছে।

অসন্তোষের গ্রাস থেকে রেহাই পায়নি শাসকদল তৃণমূলও। বসিরহাট উত্তর কেন্দ্রে কলকাতার বাসিন্দা তৌসিফুর রহমানকে প্রার্থী করায় বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি ছিল ‘ভূমিপুত্র’ আবু তাহের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ওরফে রনিকে। তৃণমূল কর্মী ফইজুল ইসলামের বক্তব্য, ‘এখানে রনিদা তৃণমূল দলটা জীবন দিয়ে করল। বাম আমলে মার খেল। এক বার আমাদের বসিরহাট উত্তরের বিধায়কও হয়েছিল। তাকে বাদ দিয়ে কলকাতা থেকে কাকে ধরে এনে এখানে প্রার্থী করেছে, তাঁকে চিনিও না। তাঁর নামও শুনিনি কোনও দিন।’ এদিকে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষেও প্রার্থী বদলের দাবিতে অনড় ব্লক সভাপতি অপার্থিব ইসলাম। দফায় দফায় বৈঠকেও সেখানে জট কাটেনি।

ভোটের মুখে এই ‘প্রার্থী-বিদ্রোহ’ দুই শিবিরের সেনাপতিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এখন দেখার, ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে বিক্ষুব্ধদের মন কতটা জয় করতে পারেন তাঁরা। নাকি এই ক্ষোভই ব্যালট বক্সে বড় প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। ছবি সংগৃহিত।


 

মমতা-অভিষেক বৈঠক , প্রার্থী তালিকায় রদবদল নিয়ে জল্পনা!

 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর