নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের উত্তাপে আপাতত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জেরার মুখে বসতে হচ্ছে না রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়ে দিল, এখনই ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে না তাঁকে। তবে স্বস্তি দীর্ঘমেয়াদী নয়। আদালত স্পষ্ট করেছে, ভোট মিটলেই সটান পৌঁছে যেতে হবে সিজিও কমপ্লেক্সে। আগামী ১ মে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও।
পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুজিতকে বারবার তলব করেছিল ইডি। পালটা সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন মন্ত্রী। তাঁর যুক্তি ছিল, ‘ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছি, ভোট মিটলে হাজিরা দেব’। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি আদালতের দরজায় পৌঁছলে বিচারপতি রাও সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে হাজিরা কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সংশ্লিষ্ট মামলায় রাজ্যের আর এক মন্ত্রী রথীন ঘোষকেও তলব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে বিধাননগর থেকে লড়ছেন সুজিত এবং মধ্যমগ্রামের প্রার্থী রথীন। ভোটের মুখে এই ঘনঘন তলব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতর তুঙ্গে। গত বছর অক্টোবরে রথীনের বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছিল ইডি। পিছিয়ে নেই সুজিতের মামলাও। চলতি বছরের জানুয়ারি এবং ২০২৫-এর অক্টোবরে তাঁর দফতর ও বাসভবনে অভিযান চালানো হয়। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। আপাতত আদালতের রক্ষাকবচ পেলেও ১ মে-র হাজিরা সুজিতের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনে কতটা চাপ তৈরি করে, সেটাই এখন দেখার। দোরগোড়ায় নির্বাচন, আর তার পরেই তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ— সব মিলিয়ে বিধাননগরের প্রার্থীর ওপর চাপ এখন বহুগুণ।
দেবকে দেখতে হাজিরা কামাই, স্বেচ্ছায় কাজ ছেড়ে জনসভায় হাজার হাজার চা শ্রমিক