ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • কলকাতা /
  • স্বাস্থ্যভবনে আচমকা ভিজিট মুখ্যমন্ত্রীর, দালালচক্র রুখতে চালু হচ্ছে লাইভ মনিটরিং

স্বাস্থ্যভবনে আচমকা ভিজিট মুখ্যমন্ত্রীর, দালালচক্র রুখতে চালু হচ্ছে লাইভ মনিটরিং

নয়া জামানা : আজ, বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই স্বাস্থ্যভবন পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে যাওয়ার পথে তিনি স্বাস্থ্যভবনের সদ্য তৈরি কন্ট্রোল রুম ঘুরে দেখেন এবং আধিকারিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। পরিদর্শন শেষে মুখ্যমন্ত্রী....

স্বাস্থ্যভবনে আচমকা ভিজিট মুখ্যমন্ত্রীর, দালালচক্র রুখতে চালু হচ্ছে লাইভ মনিটরিং

নয়া জামানা : আজ, বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই স্বাস্থ্যভবন পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে যাওয়ার পথে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা : আজ, বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই স্বাস্থ্যভবন পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে যাওয়ার পথে তিনি স্বাস্থ্যভবনের সদ্য তৈরি কন্ট্রোল রুম ঘুরে দেখেন এবং আধিকারিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

পরিদর্শন শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে সরাসরি লাইভ মনিটরিং চালানো হবে, যার আওতায় আসবে মহকুমা হাসপাতালগুলিও, আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে। এই নজরদারির মূল লক্ষ্য হাসপাতালে সক্রিয় দালালচক্র বন্ধ করা। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রোগীরা সাধারণত বারবার হাসপাতালে যান না বলে দালালদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। তাঁর ভাষায়, কোনও দালালকে আজ হাসপাতালে দেখা গেলে কাল আর তাঁকে দেখা যাবে না।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, শুধু চিকিৎসা পরিষেবা নয়, হাসপাতালের রান্নাঘর থেকে পার্কিং লট— সবটাই আসবে নজরদারির আওতায়। কেন্দ্রীয় সরকার হাসপাতালগুলিকে ‘আয়ুষ্মান মন্দির’ আখ্যা দিয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্দিরের মতোই পবিত্রতা, স্বচ্ছতা ও সেবাপরায়ণতা বজায় রাখতে হবে হাসপাতালগুলিতেও। প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ, কারণ নেতা-মন্ত্রী-আধিকারিকরা সাধারণত সরকারি হাসপাতালে যান না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোগীদের খাবারের মান নিয়েও এদিন কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, রোগী-পিছু বরাদ্দ ৫৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে, যার ফলে খাবারের মান উন্নত হয়েছে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা নিয়েও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। কাজের দায়িত্ব ভাগ স্পষ্ট না থাকায় মাঝে মাঝে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে জানান তিনি— যেমন ট্রলি বহনের দায়িত্বে থাকা কর্মী ইনজেকশন দিয়ে ফেলা, বা নিরাপত্তারক্ষীর সেলাইয়ের কাজ করে ফেলার মতো ঘটনা। এই ধরনের সমস্যা এড়াতে ও কাজ অনুযায়ী কর্মী চিহ্নিতকরণের জন্য বিভিন্ন রঙের ব্যাজ চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

তারাতলার মতো বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে দ্রুত জরুরি পরিষেবা নিশ্চিত করতে এক মিনিটে ২৫০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে সক্ষম একটি ট্রমা সেন্টার তৈরির কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টার ও আইসিইউ বেডের সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। রাজ্যে বার্ন ইউনিট পরিষেবার দুর্বলতার কথা স্বীকার করে তা উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এছাড়া নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠীর উদ্যোগে ২ হাজার শয্যার একটি হাসপাতাল নির্মাণাধীন বলে জানান শুভেন্দু, যার মধ্যে ১ হাজার শয্যা সংরক্ষিত থাকবে গরিব ও প্রান্তিক মানুষের জন্য। শীঘ্রই এই হাসপাতালের শিলান্যাস হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর