নয়া জামানা : তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলল বড়সড় ইনাম। বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্যসভার তিনটি আসনের জন্য নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। ঘোষিত তিন প্রার্থী হলেন— সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই তিনজনই এদিন বিকেলে সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য সদর দপ্তরে গিয়ে দলে যোগ দেন। যোগদানের পর থেকেই তাঁদের রাজ্যসভায় পাঠানো নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। শেষমেশ রাত ৯টা নাগাদ দিল্লিতে বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, সংসদের উচ্চকক্ষে এই তিনজনকেই প্রার্থী করা হচ্ছে।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পরই দল কার্যত ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। সেই আবহে রাজ্যসভার তিন তৃণমূল সাংসদ— সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দেন। উল্লেখ্য, সাংসদ হিসেবে সুখেন্দুশেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইকের মেয়াদ ছিল ২০২৯ সাল পর্যন্ত, আর সুস্মিতা দেবের মেয়াদ ছিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত। তাঁদের ইস্তফার জেরে ফাঁকা হওয়া তিনটি আসনে আগামী ২৪ জুলাই নির্বাচন হবে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, একসময়ের এই তিন তৃণমূল সাংসদই এবার ফের রাজ্যসভায় ফিরতে চলেছেন— তবে এবার তৃণমূলের প্রতীকে নয়, বিজেপির পদ্ম-প্রতীকে।
সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে এই তিনটি আসনের কোনওটিতেই তৃণমূলের প্রার্থী দেওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা নেই বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়টি কার্যত স্বীকারও করে নিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে তিনটি আসনই এবার যেতে চলেছে বিজেপির দখলে।
এদিন তিন প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগদানের সময় সাংবাদিকরা রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছে জানতে চান, তাঁদের রাজ্যসভার প্রার্থী করা হবে কি না। জবাবে ইঙ্গিতপূর্ণ ভঙ্গিতে শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, চর্চা চলুক না। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই বাস্তবে পরিণত হল রাতের বিজ্ঞপ্তিতে।
মৃত মায়ের চোখ বিক্রি করল ছেলে, ক্ষুব্ধ জনতার আক্রমণে গোটা পরিবার