ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • দশ লাখ না দিলে কোমরে দড়ি ও পচা ডিম ছোঁড়ার হুমকি! বাঁচতে চেয়ে শমীকের পা জড়িয়ে কাঁদলেন তৃণমূল নেতা

দশ লাখ না দিলে কোমরে দড়ি ও পচা ডিম ছোঁড়ার হুমকি! বাঁচতে চেয়ে শমীকের পা জড়িয়ে কাঁদলেন তৃণমূল নেতা

নয়া জামানা : দশ লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে হেনস্থার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে গিয়ে রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। শুধু হাজির হওয়াই নয়, বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের পা জড়িয়ে ধরে নিজের....

দশ লাখ না দিলে কোমরে দড়ি ও পচা ডিম ছোঁড়ার হুমকি! বাঁচতে চেয়ে শমীকের পা জড়িয়ে কাঁদলেন তৃণমূল নেতা

নয়া জামানা : দশ লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে হেনস্থার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিজেপির....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা : দশ লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে হেনস্থার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে গিয়ে রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। শুধু হাজির হওয়াই নয়, বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের পা জড়িয়ে ধরে নিজের আকুতি জানালেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হুগলির রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

অভিযোগকারীর নাম কেশব দাস। তিনি বাঁশবেড়িয়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। উল্লেখ্য, তাঁর স্ত্রী রীতা দাসও ওই পুরসভারই কাউন্সিলর ছিলেন, যিনি সম্প্রতি নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

কেশব দাসের অভিযোগের তির বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি কর্মী দেবজিৎ মুখোপাধ্যায় ওরফে রানার বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, দেবজিৎ তাঁর কাছে অন্যায়ভাবে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। এই বিপুল অঙ্কের টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে সামাজিক হেনস্থার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে এলাকায় কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো এবং গায়ে পচা ডিম ছোঁড়া হবে বলেও ভয় দেখানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য হুগলি জেলা সফরে আসছেন জানতে পেরে নিজের অভাব-অভিযোগ জানাতে সরাসরি বিজেপির জেলা কার্যালয়ে পৌঁছে যান কেশব। জেলা কোর কমিটির বৈঠক শেষে শমীক ভট্টাচার্য যখন ঘর থেকে বেরোচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাঁর সামনে গিয়ে পায়ে লুটিয়ে পড়েন কেশব দাস। পা জড়িয়ে ধরে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন তিনি। আকস্মিক এই ঘটনায় রাজ্য সভাপতিকে ঘিরে থাকা বিজেপি নেতৃত্ব ও নিরাপত্তারক্ষীরা কিছুটা হকচকিয়ে যান। পরিস্থিতি সামলে দ্রুত ওই তৃণমূল নেতাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের ওপর হওয়া হুমকির কথা বিস্তারিত জানান কেশব।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী দেবজিৎ মুখোপাধ্যায় ওরফে রানা সপ্তগ্রামের বিজেপি বিধায়ক স্বরাজ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। নিজের ঘনিষ্ঠ অনুগামীর বিরুদ্ধেই এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামতে হয়েছে বিধায়ককে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,সাধারণত তৃণমূল নেতাদের কোনও কথার ওপর আমাদের বিশ্বাস বা ভরসা নেই। তা সত্ত্বেও, যদি আমাদের কোনও বিজেপি কর্মী সত্যিই টাকা-পয়সা চেয়ে থাকেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ থাকে, তবে দলগতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু যদি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়, তবে সেটাও আমরা শক্ত হাতে দেখব। বিষয়টি আমার কাছে এসেছে এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে তদন্ত করছি। এই নিয়ে জেলা সভাপতির সঙ্গেও আমার বিস্তারিত কথা হয়েছে।


তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতে কোটি টাকার দুর্নীতি, কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানোর নিদান গেরুয়া শিবিরের

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর