নয়া জামানা ডেস্ক : বাংলার নজর যখন হাইভোল্টেজ মেগা ফাইনালে, তখনই দেশের আরও চার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে সোমবার। অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটবাক্স খোলার আগে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন সমীকরণ। আজকের এই ফল আগামী দিনের লোকসভা নির্বাচনের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপির পাখির চোখ এখন বাংলা ও অসম। পূর্ব ভারতে একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করতে বঙ্গে ক্ষমতা দখলকেই তুরুপের তাস করতে চাইছে গেরুয়া শিবির। অসমেও নিজেদের জয়ের ব্যাপারে তারা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। তবে সেখানে বিজেপির লক্ষ্য এবার একার ক্ষমতায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা। অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারত নিয়ে কংগ্রেসের প্রত্যাশার পারদ তুঙ্গে। কেরলে পালাবদলের স্বপ্ন দেখছেন রাহুল গান্ধীরা। হাত শিবিরের ভোট ম্যানেজারদের দাবি, কেরল দখলে এলে দক্ষিণ ভারত ফের কংগ্রেসের দুর্গে পরিণত হবে। তামিলনাড়ুতে এম কে স্ট্যালিন বা থলপতি বিজয়—যিনিই ক্ষমতায় আসুন না কেন, কংগ্রেস নিশ্চিত যে তাদের বাদ দিয়ে সরকার গঠন সম্ভব নয়। এমনকি পুদুচেরিতেও বদলের হাওয়া দেখছে শতাব্দীপ্রাচীন দলটি। তবে গেরুয়া শিবির দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে বড় জয়ের আশা না রাখলেও কেরলে ‘কিংমেকার’ হওয়ার আশায় বুক বাঁধছে। তামিলনাড়ু ত্রিশঙ্কু হলে সেখানেও ঘুঁটি সাজাতে তৈরি বিজেপি। বাংলার লড়াইয়ে কংগ্রেস তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচার করলেও দিনশেষে মমতার জয়ই চাইছে তারা। হাত শিবিরের আশা, বঙ্গে গুটিকয়েক আসন নিয়ে প্রাসঙ্গিক থাকা। অসমে কংগ্রেসের মুখ গৌরব গগৈয়ের লক্ষ্য ২০২৯ ও ২০৩১-এর জমি শক্ত করা। সব মিলিয়ে এই দফায় অন্তত পাঁচটি রাজ্যে নিজেদের মুখ্যমন্ত্রী বসানোর অঙ্ক কষছে কংগ্রেস। বিপরীতে, বিজেপির যাবতীয় বাজি মূলত বাংলা ও অসমকে ঘিরেই। এখন দেখার, শেষ হাসি হাসেন কারা। ফাইল ফটো।