নয়া জামানা ডেস্ক : কৃষ্ণনগরের জনসভা থেকে বঙ্গ ভোটের ময়দানে কার্যত ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত পাঁচ দশকের রেকর্ড ভেঙে এবারই বাংলায় সবচেয়ে কম হিংসার ঘটনা ঘটছে বলে দাবি করলেন তিনি। প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই বৃহস্পতিবার কমিশনের কাজে ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল মোদীর গলায়। অতীতে খুনের ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে এদিন বিরোধীদের বিঁধেছেন তিনি। নির্ভয়ে বুথমুখী হওয়ার জন্য জনতাকে সাধুবাদ জানিয়ে মোদীর দাবি, ভয় কাটিয়ে পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এবার রেকর্ড ভোট দিচ্ছে বাংলা। বিজেপির এই হাইভোল্টেজ প্রচার থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ‘ঝালমুড়ি’ বিতর্কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল তৃণমূলের লেগেছে’। তৃণমূলের দুর্নীতি ও ‘জঙ্গলরাজ’ খতম করতে সাধারণ মানুষই এবার শঙ্খে ফুঁ দিয়েছেন বলে তাঁর দাবি। পুলিশ থেকে শিক্ষক—সব স্তরের মানুষ ন্যায়ের স্বার্থে ভোট দিচ্ছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ৪ জুনের পর নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে। অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপের পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ ও পুলিশের সমন্বয়ের কথাও শোনা যায় তাঁর মুখে। মতুয়া ও শরণার্থীদের আশ্বস্ত করে মোদী বলেন, ‘মতুয়াদের বলব, তৃণমূলকে ভয় পাবেন না। আপনাদের কেউ হাত লাগাতে পারবে না’। ক্ষমতায় এলে সিএএ-র গতি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। নারী সুরক্ষায় প্রতি ব্লকে মহিলা থানা এবং ‘মাতৃশক্তি ভরসা কার্ডের’ মাধ্যমে বছরে ৩৬ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট দাবি, দুর্নীতিবাজদের জায়গা হবে না বাংলায়, লুটের টাকা জনগণকে ফেরানোই এখন ‘মোদীর গ্যারান্টি’। একপ্রকার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, এবারের ভোটে তৃণমূল অনেক জায়গায় খাতাই খুলতে পারবে না। ফাইল ফটো।