ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • হেলিকপ্টার শোডাউন থেকে ঝাঁঝালো হুঁশিয়ারি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা

হেলিকপ্টার শোডাউন থেকে ঝাঁঝালো হুঁশিয়ারি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা

উত্তম সিংহ, নয়া জামানা, খড়িবাড়ি: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ময়দান কার্যত উত্তপ্ত করে তুলল খড়িবাড়ির বাতাসীর পিএসএ মাঠে বিজেপির জনসভা। ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দুর্গা মূর্মূর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত....

হেলিকপ্টার শোডাউন থেকে ঝাঁঝালো হুঁশিয়ারি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা

উত্তম সিংহ, নয়া জামানা, খড়িবাড়ি: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ময়দান কার্যত উত্তপ্ত করে তুলল খড়িবাড়ির....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


উত্তম সিংহ, নয়া জামানা, খড়িবাড়ি: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ময়দান কার্যত উত্তপ্ত করে তুলল খড়িবাড়ির বাতাসীর পিএসএ মাঠে বিজেপির জনসভা। ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দুর্গা মূর্মূর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তাঁর আগমনই যেন সভার আবহ বদলে দেয়—হেলিকপ্টারে করে সরাসরি মঞ্চের সামনে অবতরণ করে সেখান থেকেই মঞ্চে ওঠেন তিনি। এই ব্যতিক্রমী আগমন ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডি। দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর একসঙ্গে মঞ্চে উপস্থিতিকে বিজেপির শক্তি প্রদর্শনের স্পষ্ট বার্তা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বক্তব্যের শুরুতে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, সদ্যসমাপ্ত অসম নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে এতদিন বাংলায় আসা সম্ভব হয়নি। নির্বাচন শেষ হতেই দলীয় নির্দেশে তিনি বাংলার প্রচারে নেমেছেন বলে জানান।
এরপরই একের পর এক ইস্যু তুলে ধরে তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে—এই প্রচারকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। অসমের উদাহরণ টেনে বলেন, বিজেপি সরকার থাকা সত্ত্বেও সেখানে এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।
ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্ত খোলা থাকার ফলে অনুপ্রবেশ বাড়ছে এবং জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে। তৃণমূলকে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির অভিযোগে কাঠগড়ায় তুলে হুঁশিয়ারি দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভাষণের মাঝেই ধর্মীয় আবেগকে সামনে এনে সনাতনীদের ঐক্যের ডাক দেন তিনি। কালী ও দুর্গার ভক্তদের এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অসমে বিজেপি ১০০-র বেশি আসন পেয়েছে, আর বাংলায় বিজেপি পাবে ২০০ আসনের ডবল সেঞ্চুরি। তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, এটি মা-মাটি-মানুষের সরকার নয়, এটি মাফিয়া, মানি ও মার্ডারের সরকার। চাকরিতে ঘুষ, ডিএ বকেয়া, চা শ্রমিকদের মজুরি—সব মিলিয়ে আক্রমণ আরও ধারালো হয়।
ভাষণের শেষে রসিকতার সুরে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঝগড়া করায় নোবেল পেতে পারেন। সভা শেষে ডিজের তালে নেচে ও সমর্থকদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে উৎসবের আবহ তৈরি করেন তিনি। ফাঁসিদেওয়ার এই জনসভা যে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল, তা স্পষ্ট।


মালদহে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, ক্ষমতায় এলে ধর্ষকদের সকালে জমা করব, বিকেলে খরচ করব

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর