ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ‘শীত–গ্রীষ্ম–বর্ষা, তৃণমূলই ভরসা’, আলিপুরদুয়ারে বজ্রকণ্ঠে বিজেপির বিরুদ্ধে আগুন ঝরালেন মমতা

‘শীত–গ্রীষ্ম–বর্ষা, তৃণমূলই ভরসা’, আলিপুরদুয়ারে বজ্রকণ্ঠে বিজেপির বিরুদ্ধে আগুন ঝরালেন মমতা

অভিজিত চক্রবর্তী ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ আলিপুরদুয়ার: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ড যেন পরিণত হল রাজনৈতিক আগ্নেয়গিরিতে। বৃহস্পতিবার সেখানে আয়োজিত এক বিশাল জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ও ধারালো ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা....

‘শীত–গ্রীষ্ম–বর্ষা, তৃণমূলই ভরসা’, আলিপুরদুয়ারে বজ্রকণ্ঠে বিজেপির বিরুদ্ধে আগুন ঝরালেন মমতা

অভিজিত চক্রবর্তী ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ আলিপুরদুয়ার: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ড যেন পরিণত হল....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


অভিজিত চক্রবর্তী ৷৷ নয়া জামানা ৷৷ আলিপুরদুয়ার: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ড যেন পরিণত হল রাজনৈতিক আগ্নেয়গিরিতে। বৃহস্পতিবার সেখানে আয়োজিত এক বিশাল জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ও ধারালো ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্ধারিত সময়ের মাত্র ১০ মিনিট পর মঞ্চে উঠে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েই তিনি সরাসরি নিশানা করেন ভারতীয় জনতা পার্টি-কে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘ভোটপাখি’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ভোট এলেই ওদের দেখা যায়। কিন্তু ঝড়, বন্যা, সাইক্লোনে আলিপুরদুয়ারের মানুষ যখন বিপদে পড়ে, তখন বিজেপি নেতাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। যারা বিপদের দিনে পাশে থাকে না, আগামী পাঁচ বছরও মানুষ তাদের বিশ্বাস করবে না। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি বাইরের রাজ্য থেকে লোক এনে টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে।
রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরাই নতুন জেলা তৈরি করেছি, ডুয়ার্স কন্যা প্রকল্প এনেছি, বিশ্ববিদ্যালয় গড়েছি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য পাট্টা দিয়েছি, ‘চা সুন্দরী’ আবাসন করেছি। আর বিজেপি কী করেছে? শুধু বিভেদের রাজনীতি। তিনি আরও বলেন, মোদী সরকার পাঁচটি চা বাগান অধিগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা করেনি। অথচ আলিপুরদুয়ারের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের জমির সমস্যার সমাধান করেছে তৃণমূল সরকার।
আধার কার্ড ইস্যুতে বিজেপিকে বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, খাওয়া থেকে ঘুম—সব জায়গায় আধার বাধ্যতামূলক। কিন্তু ভোটার তালিকায় নাম তুলতে গেলেই কেন আধার চলবে না? বিজেপি মানুষের নাম, ঠিকানা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য নিচ্ছে। ভোটের পর সব টাকা লুট করার ছক কষছে ওরা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ী না করলে বিজেপি এ রাজ্যেও এনআরসি চালু করবে।
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে ভাষা ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে খবরদারির অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, বাংলায় কথা বললেই বা মাছ-মাংস খেলেই অন্য রাজ্যে অত্যাচার করা হয়। আমরা মানুষের খাবার, পোশাক বা ভাষায় হস্তক্ষেপ করি না—এটাই গণতন্ত্র। বিজেপি বাইরে থেকে গুন্ডা, অস্ত্র ও মাদক আনছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি এবং দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
বক্তব্যের শেষলগ্নে আলিপুরদুয়ারবাসীর উদ্দেশে বজ্রনিনাদে তাঁর স্লোগান—
শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা—তৃণমূলই ভরসা।
এই স্লোগানেই স্পষ্ট, ভোটের ময়দানে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের লড়াই যে আগুনে, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।


আলিপুরদুয়ারে প্রচারে বাধা, কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর