ব্রেকিং
  • Home /
  • দেশ /
  • অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে বের করা হবে প্রথম কাজ, বিহার থেকে বঙ্গ জয়ের হুঙ্কার অমিত শাহের

অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে বের করা হবে প্রথম কাজ, বিহার থেকে বঙ্গ জয়ের হুঙ্কার অমিত শাহের

নয়া জামানা : বঙ্গে নির্বাচনের দামামা বাজার ঠিক আগেই সীমান্ত সমস্যা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে তুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বিহারের সীমান্তবর্তী জেলা আরারিয়ায় এক জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, বাংলায় ক্ষমতায় এলেই প্রত্যেক....

অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে বের করা হবে প্রথম কাজ, বিহার থেকে বঙ্গ জয়ের হুঙ্কার অমিত শাহের

নয়া জামানা : বঙ্গে নির্বাচনের দামামা বাজার ঠিক আগেই সীমান্ত সমস্যা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা : বঙ্গে নির্বাচনের দামামা বাজার ঠিক আগেই সীমান্ত সমস্যা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে তুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বিহারের সীমান্তবর্তী জেলা আরারিয়ায় এক জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, বাংলায় ক্ষমতায় এলেই প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে বেছে বেছে ভারতছাড়া করা হবে। শাহের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। পাল্টা তোপ দেগে তৃণমূল দাবি করেছে, সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব যার কাঁধে, সেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার দায়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।বিহারের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে এবং বিজেপিই সেখানে সরকার গঠন করবে। শাহ বলেন, আমি বিহারের জনতাকে কথা দিয়েছিলাম যে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে ভারত থেকে বের করব। এটাই ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্কল্প। দেশের সুরক্ষার জন্য এই অনুপ্রবেশ এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। এবার সময় এসেছে ভারতকে সম্পূর্ণ অনুপ্রবেশ মুক্ত করার। গোটা সীমান্ত অঞ্চলে খুব দ্রুত এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, বাংলায় ভোট আসন্ন। আমার বিশ্বাস, এবার সেখানে বিজেপি সরকার গড়বে। আর সরকার গঠনের পর আমাদের দলের প্রথম এজেন্ডাই হবে এক এক করে সব অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া। অনুপ্রবেশের ফলে বাংলার জনবিন্যাস আমূল বদলে গিয়েছে।অমিত শাহ তাঁর বক্তব্যে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং নিজস্ব ‘ভোটব্যাঙ্ক’ অটুট রাখতেই তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে। শাহ দাবি করেন, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্র কড়া পদক্ষেপ করতে চাইলেও রাজ্য সরকার বারবার প্রশাসনিক অসহযোগিতার মাধ্যমে বাধা সৃষ্টি করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অনড় মনোভাবের কারণেই সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য চরম বিপদ সংকেত।অমিত শাহের এই কড়া বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ একে ‘দিবাস্বপ্ন’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলায় কবে আসবেন, সেই স্বপ্ন ভুলে যান। অনুপ্রবেশকারী যদি ঢুকেই থাকে, তবে তার দায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। অনুপ্রবেশকারী তো আর বাংলার পুলিশ আটকায় না, আটকায় বিএসএফ । আর বিএসএফ সরাসরি অমিত শাহের দপ্তরের অন্তর্গত। তাহলে তিনি নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে পদত্যাগ করুন।তন্ময় ঘোষ আরও যোগ করেন, এরকম ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন বিজেপি আগেও দেখেছে। বাংলা বিজেপির ছিল না, আর ভবিষ্যতেও হবে না। এটি একটি সাজানো প্লট—প্রথমে অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে দেওয়া, তারপর তা নিয়ে রাজনীতি করা।রাজনৈতিক মহলের মতে, হাতে বড়জোর আর এক মাস সময়। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহেই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে। এই অবস্থায় ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যুকে বিজেপি তাদের প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। এর আগেও একাধিকবার রাজ্য সফরের সময় অমিত শাহ অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব হয়েছেন।পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সুর চড়িয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট দাবি, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। যদি অনুপ্রবেশ ঘটে থাকে, তবে তা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে সম্ভব হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বারবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন।


 

আরও পড়ুন-

হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে ফিরিয়ে দিল শান্তিপুর থানা

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর