নয়া জামানা, কলকাতা : দীর্ঘ ১৮ বছরের নস্ট্যালজিয়া কাটিয়ে পাকাপাকিভাবে পাততাড়ি গুটিয়ে ফেলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দপ্তর। ২১, নেতাজি সুভাষ রোডের বামারলরি ভবন থেকে এবার ‘শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া’-র ভবনে সরছে এই গুরুত্বপূর্ণ অফিস। আসন্ন ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরুর আগেই এই মেকওভারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকেই নতুন ঠিকানায় পুরোদমে কাজ শুরু করবেন আধিকারিকরা। বামারলরি ভবনের দোতলা ও তিনতলা জুড়ে এতদিন চলত রাজ্যের নির্বাচনের যাবতীয় কলকাঠি নাড়া। এই অফিসই সাক্ষী ছিল বাংলার ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পালাবদলের। তবে সময় যত গড়িয়েছে, দপ্তরের কর্মীর সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। ফলে জায়গার অভাব প্রকট হয়ে উঠেছিল। অভিযোগ উঠছিল অফিসের নিরাপত্তা নিয়েও। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন দীর্ঘ আন্দোলন কিংবা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দরবার সব মিলিয়েই অফিস স্থানান্তরের দাবি জোরালো হয়। সবদিক খতিয়ে দেখেই তুলনায় বড় এবং প্রশস্ত শিপিং কর্পোরেশন ভবনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। রাজনৈতিক মহলে চর্চা রয়েছে দপ্তরের ‘স্বাধীনতা’ নিয়ে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের অধীনে থাকা এই দপ্তর স্বতন্ত্র হওয়ার আবেদন জানালেও নবান্ন থেকে সবুজ সংকেত মেলেনি। তবে অফিসের ঠিকানা বদলে সুরক্ষার ছোঁয়া থাকছে কড়া। বর্তমানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় মোড়া থাকে এই দপ্তর। নতুন ঠিকানাতেও সিইও এবং অন্যান্য আধিকারিকদের পাহারায় থাকবে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীই। বড় পরিসরে আরও বেশি কর্মী নিয়ে ভোট পরিচালনার লক্ষ্যেই এই মেকওভার বলে মনে করা হচ্ছে।
ছয় বছর পর খুলছে ষাঁড়েশ্বর মন্দির, পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিষ্ণুপুর জুড়ে ভক্তির জোয়ার