• Home /
  • দেশ /
  • যুদ্ধের আবহে সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের, গৃহস্থালির গ্যাসে ১০০% অগ্রাধিকার

যুদ্ধের আবহে সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের, গৃহস্থালির গ্যাসে ১০০% অগ্রাধিকার

নয়া জামানা ডেস্ক : ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় থমকে গিয়েছে আমদানিকৃত গ্যাসের গতি। ভারতের মোট চাহিদার অর্ধেকই আসে বিদেশ থেকে, যার ৩০ শতাংশ এখন বিশ বাঁও জলে। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে কোমর বেঁধে নেমেছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। মঙ্গলবার....

যুদ্ধের আবহে সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের, গৃহস্থালির গ্যাসে ১০০% অগ্রাধিকার

নয়া জামানা ডেস্ক : ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় থমকে গিয়েছে আমদানিকৃত গ্যাসের গতি। ভারতের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় থমকে গিয়েছে আমদানিকৃত গ্যাসের গতি। ভারতের মোট চাহিদার অর্ধেকই আসে বিদেশ থেকে, যার ৩০ শতাংশ এখন বিশ বাঁও জলে। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে কোমর বেঁধে নেমেছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। মঙ্গলবার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এলপিজি, সিএনজি এবং পাইপে পাঠানো রান্নার গ্যাস সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিল কেন্দ্র। সাফ জানানো হয়েছে, যুদ্ধের বাজারে আমজনতার রান্নার গ্যাসে যাতে টান না পড়ে, তার জন্য প্রয়োজনে বাণিজ্যিক চুক্তিও শিকেয় তোলা হবে।

সঙ্কট মোকাবিলায় মঙ্গলবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিস্থিতি কতটা ঘোরালো, তার প্রমাণ মিলেছে বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে। গ্যাসের আকালে এবং চড়া দামে সেখানে ২০ শতাংশ হোটেল-রেস্তরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালিক-সংগঠন ‘আহার’। এই আবহে গৃহস্থালিকে বাঁচাতে শিল্পক্ষেত্রের বরাদ্দে কাঁচি চালাচ্ছে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। নয়া গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এলপিজি উৎপাদন এবং পাইপলাইন গ্যাসের চাহিদা ১০০ শতাংশ মেটানো হবে। উল্টোদিকে সার কারখানায় ৭০ শতাংশ এবং চা শিল্প বা অন্যান্য উৎপাদন ক্ষেত্রে বরাদ্দ কমে দাঁড়িয়েছে ৮০ শতাংশে।

কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রকের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি প্রতি মিনিটে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘আমরা মিনিটে মিনিটে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং পরিবর্তিত প্রয়োজন সম্পর্কে সচেতন। মূল খাতগুলোর পূর্ণ চাহিদা মেটাতে আমরা এখনই গ্যাস বরাদ্দের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করেছি। এই পুনর্বণ্টন মূলত এলপিজি সরবরাহ বাড়ানোর জন্য করা হয়েছে, কারণ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধে রান্নার গ্যাসের অর্ধেক সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় তা চাপে পড়েছিল।’

গ্যাসের জোগান বাড়াতে শোধনাগারগুলিকে পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন কমিয়ে এলপিজি বৃদ্ধিতে জোর দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে উৎপাদন ইতিমধ্যেই ১০ শতাংশ বেড়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ‘গেল’-কে গোটা বণ্টন প্রক্রিয়া তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইন্ডিয়ান অয়েল জানিয়েছে, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও বিশেষ নজরে রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আমজনতার সিলিন্ডার নিশ্চিত করাই এখন সাউথ ব্লকের পয়লা নম্বর লক্ষ্য।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর