ব্রেকিং

রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন জলপাইগুড়ি-চরম দুর্ভোগে শহরবাসী

বাবলু রহমান, নয়া জামানা,জলপাইগুড়ি : রাতভর মুষলধারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির জেরে কার্যত জলমগ্ন হয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক এলাকা। শনিবার সকাল পর্যন্ত পরিস্থিতির বিশেষ কোনও উন্নতি হয়নি। শহরের বহু রাস্তা, গলি ও ওয়ার্ড এখন জলের তলায়। কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও আবার....

রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন জলপাইগুড়ি-চরম দুর্ভোগে শহরবাসী

বাবলু রহমান, নয়া জামানা,জলপাইগুড়ি : রাতভর মুষলধারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির জেরে কার্যত জলমগ্ন হয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ি শহরের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


বাবলু রহমান, নয়া জামানা,জলপাইগুড়ি : রাতভর মুষলধারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির জেরে কার্যত জলমগ্ন হয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক এলাকা। শনিবার সকাল পর্যন্ত পরিস্থিতির বিশেষ কোনও উন্নতি হয়নি। শহরের বহু রাস্তা, গলি ও ওয়ার্ড এখন জলের তলায়। কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও আবার তারও বেশি জল জমে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরে পর্যাপ্ত নিকাশি ব্যবস্থার অভাবই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। সামান্য বৃষ্টি হলেই জল নামার কোনও রাস্তা থাকে না। ফলে রাস্তাঘাট দ্রুত জলমগ্ন হয়ে পড়ে। সকাল থেকে স্কুল, কলেজগামী পড়ুয়া, অফিসযাত্রী, ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ পথচলতি মানুষ সকলকেই সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। বহু এলাকায় যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দপাড়া এলাকায় দেখা গেল রাস্তার উপর থইথই জল। স্থানীয় এক বৃদ্ধ, যিনি ওই এলাকায় কাজ করেন, ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই জল জমে যায়। জলের কোনও পাসিং নেই। নিকাশির কোনও ব্যবস্থাই করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যা চলছে। পুরসভাকে বারবার জানানো হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। তিনি আরও বলেন, এত বছর ধরে সরকার ছিল, কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এখন নতুন করে আশা করছি, যদি সত্যিই কাজ হয় তাহলে ভালো। না হলে মানুষ এবারও হতাশ হবে। তাঁর কথায় স্পষ্ট, রাজনৈতিক পালাবদল হলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার স্থায়ী সমাধান এখনও অধরাই রয়ে গেছে। এদিন পাহাড়ীপাড়া এলাকার এক মহিলাকেও জল জমার সমস্যায় বিপাকে পড়তে দেখা যায়। তিনি জানান, এলাকার প্রায় সব গলিই জলের তলায় চলে গিয়েছে। প্রতিদিন যে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন, সেই পথই এদিন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। কাজে যাওয়ার সময় তাঁকে বিকল্প রাস্তা খুঁজতে হয়েছে। তিনি বলেন, সব গলি জলে ডুবে গেছে। কোথা দিয়ে যাব বুঝতে পারছি না। স্থানীয়দের দাবি, জলপাইগুড়ি শহরে প্রতি বর্ষাতেই একই ছবি দেখা যায়। একটু বেশি বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল দাঁড়িয়ে যায়। বিশেষ করে নিচু এলাকা ও পুরনো ওয়ার্ডগুলিতে সমস্যা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নিকাশি নালা পরিষ্কার না হওয়া, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই পরিস্থিতি প্রতি বছর আরও খারাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ। শুধু যাতায়াত নয়, জল জমে থাকার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা। দীর্ঘক্ষণ নোংরা জল জমে থাকলে মশাবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কাও বাড়ে। পাশাপাশি ছোট ব্যবসায়ী ও দোকানদারদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেক জায়গায় দোকানের সামনেও জল ঢুকে পড়েছে। এখন শহরবাসীর একটাই প্রশ্ন এই জলযন্ত্রণা থেকে স্থায়ী মুক্তি কবে মিলবে? প্রতি বছর বর্ষা এলেই জলমগ্ন শহরের ছবি সামনে আসে, অভিযোগ ওঠে, প্রতিশ্রুতিও মেলে। কিন্তু বাস্তবে সমস্যার সমাধান এখনও অধরাই। ফলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ দিন দিন আরও বাড়ছে।


ট্রাইব্যুনালে নাম তুলতে রাতভর লাইন, চরম ভোগান্তিতে হাজারও ভোটার

 

 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর