ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • নিউটাউনের গ্রিন ভার্জ এখন বিষধরদের ডেরা, আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের

নিউটাউনের গ্রিন ভার্জ এখন বিষধরদের ডেরা, আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের

নয়া জামানা, কলকাতা: নিউটাউনকে তিলোত্তমার বুকেই এক টুকরো সবুজ অক্সিজেন জোন হিসেবে গড়ে তুলতে একাধিক ‘গ্রিন ভার্জ’ তৈরি করেছিল এনকেডিএ। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই সাধের বাগানগুলিই এখন সাধারণ মানুষের কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বি-ডি ব্লকের ১৬৫ নম্বর....

নিউটাউনের গ্রিন ভার্জ এখন বিষধরদের ডেরা, আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের

নয়া জামানা, কলকাতা: নিউটাউনকে তিলোত্তমার বুকেই এক টুকরো সবুজ অক্সিজেন জোন হিসেবে গড়ে তুলতে একাধিক ‘গ্রিন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা: নিউটাউনকে তিলোত্তমার বুকেই এক টুকরো সবুজ অক্সিজেন জোন হিসেবে গড়ে তুলতে একাধিক ‘গ্রিন ভার্জ’ তৈরি করেছিল এনকেডিএ। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই সাধের বাগানগুলিই এখন সাধারণ মানুষের কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বি-ডি ব্লকের ১৬৫ নম্বর স্ট্রিট এবং বি-ই ব্লকের ৯ নম্বর গ্রিন ভার্জের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। কোমর সমান আগাছা আর ঝোপঝাড়ে ঢেকে গিয়েছে হাঁটার রাস্তা। স্থানীয়দের দাবি, জঙ্গল এতটাই ঘন যে ভিতরে আস্ত বাঘ লুকিয়ে থাকলেও বোঝার উপায় নেই।

বিকেল গড়ালেই এই এলাকাগুলি হয়ে উঠছে অন্ধকারাচ্ছন্ন ও বিপজ্জনক। বছরখানেক আগে নিউটাউনে চন্দ্রবোড়া সাপের কামড়ে দুজনের মৃত্যু এবং অসংখ্য আহতের স্মৃতি এখনও তাজা। বর্তমানে এই ঘন জঙ্গলে চন্দ্রবোড়া ছাড়াও কেউটে ও গোখরোর উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কেউ সেখানে ঢুকতে সাহস পাচ্ছেন না। এমনকি জলাশয়গুলিও সংস্কারের অভাবে মজে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাগান খোলা থাকলেও সাপের ভয়ে বাসিন্দারা ত্রিসীমানায় যাচ্ছেন না। জঞ্জাল আর অবহেলায় শহরের প্রাণকেন্দ্রের এই দুরাবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। বর্ষার আগে দ্রুত এই জঙ্গল পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। যদিও এনকেডিএ কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর