• Home /
  • মহানগর /
  • যোগ্য অফিসারদের দিয়ে ভোট হোক, কমিশনের রদবদল নিয়ে মত শুভেন্দুর

যোগ্য অফিসারদের দিয়ে ভোট হোক, কমিশনের রদবদল নিয়ে মত শুভেন্দুর

নয়া জামানা, কলকাতা : রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা মমতার ‘স্তাবক’ আধিকারিকরা। তাঁদের দিয়ে ভোট করানো অসম্ভব। সোমবার কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে ঠিক এই ভাষাতেই রাজ্যের প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবি ও সোমবারের জোড়া....

যোগ্য অফিসারদের দিয়ে ভোট হোক, কমিশনের রদবদল নিয়ে মত শুভেন্দুর

নয়া জামানা, কলকাতা : রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা মমতার ‘স্তাবক’ আধিকারিকরা। তাঁদের দিয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা মমতার ‘স্তাবক’ আধিকারিকরা। তাঁদের দিয়ে ভোট করানো অসম্ভব। সোমবার কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে ঠিক এই ভাষাতেই রাজ্যের প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবি ও সোমবারের জোড়া ধাক্কায় নির্বাচন কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে ডিজিপি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে সরিয়ে দিয়েছে। এই আবহে শুভেন্দুর দাবি, যোগ্য অথচ কোণঠাসা অফিসারদের সামনে এনে ভোট করাতে হবে কমিশনকেই।

রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সক্রিয়তায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি। শীর্ষস্তরের একের পর এক আমলা ও পুলিশকর্তা অপসারিত হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস কি চাপে? এই প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু মেপে জবাব দেন। তিনি বলেন, ‘সেটা আমি জানি না। ওঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) মনের কথা, ব্যথা-বেদনা, মান-অভিমান আমি বলব কী করে? আমি যেটা বলছি, ওঁর স্তাবকদের দিয়ে নির্বাচন করা যায় না।’ শুভেন্দুর স্পষ্ট মত, এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসব যোগ্য অফিসারদের ব্রাত্য করে রেখেছিলেন, তাঁদেরই এখন ফিরিয়ে এনে ভোটের কাজে লাগানো উচিত।

রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়েও সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ নাম বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হবে। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দুর বার্তা, ‘আমরা চাইছি বৈধ ভোটাররা ভোট দিক। সে যে দলেরই হোক, যে সমাজেরই হোক, যে ধর্মেরই হোক। যাঁরা ভারতীয়, তাঁরা গণতন্ত্রের মহোৎসবে অংশগ্রহণ করুক।’ তাঁর আশা, সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে জুডিশিয়াল অফিসাররা সমস্ত নথি যাচাই করে তবেই বৈধদের নাম ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করবেন।

জানা গেছে,হিংসার ইতিহাস রয়েছে এমন থানার আধিকারিকদের তালিকা তলব করেছে কমিশন। শুভেন্দু মনে করেন, শুধু সরালে চলবে না, ওই অফিসারদের অন্য রাজ্যে পাঠাতে হবে। তাঁর সাফ কথা, ‘পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ডকে বন্ধ করতে হবে।’ পাশাপাশি, এক্সটেনশন পাওয়া পুলিশকর্তাদের তালিকা চাওয়ায় কমিশনের ওপর খুশি বিরোধী দলনেতা। তাঁর অভিযোগ, ওই কর্তারাই পোস্টাল ব্যালট জালিয়াতির কারিগর।

ভোট ঘোষণার মুখে রাজ্যের ডিএ এবং ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণাকেও ‘প্রতারণা’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, ‘এখন কেউ টাকা পাবেন না। গতকাল বিকেল চারটের পর থেকে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু হয়ে গিয়েছে। এটা কেবলমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট হয়ে রয়ে যাবে। মমতা প্রতারণা করেছেন সকলের সঙ্গে।’ যদি না সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে বিশেষ নির্দেশ দেয়, তবে সাধারণের হাতে এই টাকা পৌঁছানো অসম্ভব বলেই মনে করছেন তিনি। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের প্রথম প্রহরেই কমিশনের সক্রিয়তাকে হাতিয়ার করে নবান্নকে বিঁধলেন শুভেন্দু। ফাইল ফটো।


 

‘ভালোবাসা দীর্ঘজীবী হোক!’ রবীন্দ্রসঙ্গীতে প্রেমদিবসের শুভেচ্ছা মমতার

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর