নয়া জামানা, বীরভূম: সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রকাশিত হয়েছে নতুন ভোটার তালিকা। নির্ধারিত নিয়ম মেনে বিভিন্ন বুথে লেভেল অফিসাররা (বিএলও) সেই তালিকা প্রকাশ করে টাঙিয়ে দিচ্ছেন। বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খরুণ ও রাজখন্ডা গ্রামেও একইভাবে প্রকাশ করা হয়েছে নতুন ভোটার তালিকা। খরুণ গ্রামের ১৬১ নাম্বার বুথেও নিয়ম মেনেই তালিকা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিএলওরা।তবে তালিকা প্রকাশের পরই এলাকায় শুরু হয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন তালিকা থেকে কয়েক জনের নাম বাদ পড়েছে। আবার কয়েকটি নামের পাশে ‘বিচারাধীন’ বা যাচাইয়ের উল্লেখ রয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে পাশের রাজখন্ডা গ্রামেও।এর মধ্যেই আরও একটি বিষয় ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।স্থানীয় সূত্রের দাবি, খরুণ ও রাজখন্ডা গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের বাসিন্দা কার্যত নেই বললেই চলে। অথচ নতুন ভোটার তালিকায় ‘আসরফ শেখ’ নামে এক ব্যক্তির নাম দেখা গিয়েছে। তালিকায় তাঁর বাবার নাম রবিউল আলম এবং ঠিকানা হিসেবে রাজখন্ডা গ্রামের উল্লেখ রয়েছে। তবে সেই নামটি বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে বলেও তালিকায় দেখা যাচ্ছে।এই ঘটনাকে ঘিরে গ্রামবাসীদের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, ওই ব্যক্তির নাম কীভাবে এই গ্রামের ভোটার তালিকায় এল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসীদের একাংশ নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একাংশ জানান, বিষয়টি তাঁদের নজরেও এসেছে। যেহেতু নামটি বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে, তাই যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলেই তাঁদের মত। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় কয়েক জন নেতার দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত নথি ঠিকমতো জমা দিতে না পারায় তাঁর নাম অন্য বুথে চলে আসতে পারে। বর্তমানে গ্রামবাসীদের আশা, নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ যেন গ্রহণ করে।