ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • বাবার শ্রাদ্ধের ক্রিয়াকর্ম করতে গিয়ে ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু! পরিবারে শোকের ছায়া

বাবার শ্রাদ্ধের ক্রিয়াকর্ম করতে গিয়ে ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু! পরিবারে শোকের ছায়া

রূম্পা দাস,নয়া জামানা, বীরভূম: বাবার পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম চলাকালীনই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক ব্যাক্তি, মৃতের নাম চিরঞ্জিত অধিকারী। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার নানুরের পাকুড়হাঁস গ্রামে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণে....

বাবার শ্রাদ্ধের ক্রিয়াকর্ম করতে গিয়ে ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু! পরিবারে শোকের ছায়া

রূম্পা দাস,নয়া জামানা, বীরভূম: বাবার পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম চলাকালীনই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক ব্যাক্তি, মৃতের নাম....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


রূম্পা দাস,নয়া জামানা, বীরভূম: বাবার পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম চলাকালীনই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক ব্যাক্তি, মৃতের নাম চিরঞ্জিত অধিকারী। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার নানুরের পাকুড়হাঁস গ্রামে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় চিরঞ্জিতের বাবা সত্যেন অধিকারীর। বাবার শ্রাদ্ধ ও অন্যান্য পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম যথাযথভাবে সম্পন্ন করছিলেন দুই ছেলে—চিরঞ্জিত অধিকারী ও বিজয় চাঁদ অধিকারী। সোমবার সেই কর্মসূচিরই বিভিন্ন আয়োজন চলছিল বাড়িতে। নিয়ম মেনে সাদা থান কাপড় পরে সন্ধ্যার সময় বাড়ির নানা কাজের তদারকি করছিলেন চিরঞ্জিত।গ্রামবাসীদের বক্তব্য, বাড়ির সাবমার্সিবল পাম্পটি কিছুদিন ধরে খারাপ ছিল। সেটি মেরামতের জন্য মিস্ত্রি ডাকা হয়েছিল। সেই কাজের জন্য একটি বাঁশ নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির সামনে তৈরি করা প্যান্ডেলের পাশে থাকা একটি অস্থায়ী বিদ্যুতের তারে বাঁশের খোঁচা লাগে। তাতেই তারটি ছিঁড়ে নিচে পড়ে যায়।অসাবধানতাবশত সেই তারের সংস্পর্শে এসেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন চিরঞ্জিত অধিকারী।ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হয়ে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নানুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে তাঁকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের পর চিরঞ্জিতের দেহ গ্রামে নিয়ে আসা হলে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে গোটাপাকুড়হাঁস গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চিরঞ্জিত অধিকারী কলকাতার একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থায় আধিকারিক পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁর অকাল মৃত্যুর পর বাড়িতে রয়ে গিয়েছেন সদ্যবিধবা মা, স্ত্রী এবং দুই নাবালক ছেলে। পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্বজনেরা।
মৃতের মামা নিখিল আচার্য্য বলেন, এই আঘাত সহ্য করা খুবই কঠিন। পরিবারের উপর একের পর এক বিপর্যয় নেমে এসেছে। এখন কীভাবে ওদের পরিবারকে সান্তনা দেব বুঝতে পারছি না।এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর