• Home /
  • কলকাতা /
  • নাগরিকত্বের নামে রাজনীতির খেলা , বীণাপাণি দেবীর তিরোধান দিবসে বিজেপিকে তোপ মমতার

নাগরিকত্বের নামে রাজনীতির খেলা , বীণাপাণি দেবীর তিরোধান দিবসে বিজেপিকে তোপ মমতার

নয়া জামানা ডেস্ক : বড়মা বীণাপাণি দেবীর তিরোধান দিবসে মতুয়া আবেগকে ছুঁয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়া এবং তার মধ্যে....

নাগরিকত্বের নামে রাজনীতির খেলা , বীণাপাণি দেবীর তিরোধান দিবসে বিজেপিকে তোপ মমতার

নয়া জামানা ডেস্ক : বড়মা বীণাপাণি দেবীর তিরোধান দিবসে মতুয়া আবেগকে ছুঁয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : বড়মা বীণাপাণি দেবীর তিরোধান দিবসে মতুয়া আবেগকে ছুঁয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়া এবং তার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলার বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নাম ‘বিচারাধীন’ বা এসআইআর পর্যায়ে থাকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ অভিযোগ, নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে আসলে মতুয়াদের নিয়ে রাজনীতির খেলা চলছে।এদিন সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের চক্রান্তেই আজ মতুয়া ভাই-বোনদের এক অস্থির ও বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, “যাঁরা পুরুষানুক্রমে এদেশের নাগরিক, যাঁদের ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, আজ তাঁদের নতুন করে ‘নাগরিকত্ব’ দেওয়ার নামে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে কেন?” এসআইআর-এর মাধ্যমে ইচ্ছে করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে মতুয়াদের পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে বলে তিনি গর্জে ওঠেন। এই পরিস্থিতিতে মতুয়াদের মধ্যে তৈরি হওয়া দেশছাড়া হওয়ার আতঙ্ক দূর করতে মমতা আশ্বাস দিয়েছেন, বাংলার মানুষের গায়ে তিনি কোনও আঁচ পড়তে দেবেন না।বৃহস্পতিবার বড়মা বীণাপাণি দেবীর তিরোধান দিবসে তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের ব্যক্তিগত ও আত্মিক সম্পর্কের কথা স্মৃতিচারণ করেন। বড়মার মাতৃস্নেহের পরশ তাঁর জীবনের এক পরম পাওয়া বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, বড়মার চিকিৎসাসহ যে কোনও প্রয়োজনে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। মতুয়া মহাসংঘের সামাজিক সংস্কার ও জাতপাতহীন সমাজ গড়ার আন্দোলনকে বাংলার নবজাগরণের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। বড়মার অবদানের কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকার তাঁকে ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করেছিল বলে তিনি মনে করিয়ে দেন।মতুয়াদের কল্যাণে গত কয়েক বছরে তাঁর সরকার যে সমস্ত কাজ করেছে, তার একটি দীর্ঘ তালিকা এদিন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মতুয়া ও নমঃশূদ্রদের জন্য পৃথক উন্নয়ন পর্ষদ গঠন। ঠাকুরনগরে হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও কৃষ্ণনগরে তার এক্সটেনশন ক্যাম্পাস। এছাড়া গাইঘাটায় পি আর ঠাকুর সরকারি কলেজ নির্মাণ। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মদিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা এবং ‘জলতৃপ্তি’ প্রকল্পের মাধ্যমে পানীয় জলের ব্যবস্থা। ঠাকুরনগরকে আধুনিক সাজে সাজানো, কুঠিপাড়া নাগবাড়ী ব্রিজ এবং আইটিআই-পলিটেকনিক কলেজ তৈরি। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে মতুয়াদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার এই ‘অন্যায্য’ চেষ্টা তিনি মুখ বুজে সহ্য করবেন না। তাঁর কথায়, মতুয়া ভাইবোনসহ বাংলার মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার যে চেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর