ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • ২৫০ পারের লক্ষ্য , তফশিলি ভোট অটুট রাখতে মাস্টারপ্ল্যান অভিষেকের

২৫০ পারের লক্ষ্য , তফশিলি ভোট অটুট রাখতে মাস্টারপ্ল্যান অভিষেকের

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনীতির পারদ। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তা ফের স্পষ্ট করে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নজরুল মঞ্চে আয়োজিত ‘তফশিলি....

২৫০ পারের লক্ষ্য , তফশিলি ভোট অটুট রাখতে মাস্টারপ্ল্যান অভিষেকের

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনীতির পারদ। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনীতির পারদ। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তা ফের স্পষ্ট করে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নজরুল মঞ্চে আয়োজিত ‘তফশিলি সংলাপ’ কর্মসূচী থেকে তিনি শুধু ২৫০-এর বেশি আসন পাওয়ার প্রত্যয়ই প্রকাশ করেননি, বরং বিজেপিকে রুখতে দলের নেতা-কর্মীদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকাও জারি করেছেন।এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের বিশেষ নজর যে তফশিলি ভোটের ওপর, তা অভিষেকের বক্তব্যেই পরিষ্কার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পরিসংখ্যান তুলে ধরে অভিষেক এদিন আক্রমণাত্মক মেজাজে বলেন, তফশিলি জাতির ওপর নির্যাতন ও আক্রমণের ঘটনায় গোল্ড মেডেল পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ, সিলভার রাজস্থান এবং ব্রোঞ্জ মেডেল পেয়েছে মধ্যপ্রদেশ। এই পরিসংখ্যান সামনে রেখে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে তফশিলি জাতি ও উপজাতিরা কতটা অসুরক্ষিত। রাজ্যে ৮৪টি এসসি এবং এসটি সংরক্ষিত বিধানসভা আসনকে পাখির চোখ করে কর্মীদের তাঁর নির্দেশ মানুষের কাছে গিয়ে বোঝাতে হবে যে, বিজেপিকে ভোট দেওয়া মানে খাল কেটে কুমির আনা।বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অভিষেক এদিনও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের আর্থিক বঞ্চনাকে হাতিয়ার করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বাংলা থেকে গত সাত বছরে কর বাবদ সাত লক্ষ কোটি টাকা তুলে নিয়ে যাওয়া হলেও সেই টাকা আটকে রেখে বিজেপি তা গুজরাট, বিহার বা উত্তরপ্রদেশে পাঠাচ্ছে। বাংলার উন্নয়ন আটকে রাখতেই এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।পাশাপাশি, বাঙালির ভাবাবেগকে স্পর্শ করতে মনীষীদের অপমানের প্রসঙ্গও তোলেন অভিষেক। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে বিজেপি নেতাদের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যকে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর কথায়, বিজেপির নেতারা এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলছেন রবীন্দ্রনাথ সান্যাল, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বলছেন বঙ্কিমদা! ভাবুন দেশটাকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে এরা।জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনওভাবেই ‘আত্মতুষ্টি’ কাজ না করে, সে বিষয়ে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন অভিষেক। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, এখনই জয় নিশ্চিত ধরে নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। বরং লড়াইয়ের যে রূপরেখা তিনি তৈরি করে দিয়েছেন, তা মেনে মানুষের আরও কাছে পৌঁছাতে হবে। তৃণমূল জমানায় সরকার মানুষের জন্য কী কী কাজ করেছে, তা ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর