ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • মিড-ডে মিল দেবে ইসকন, আমিষ-নিরামিষ বিতর্কে সরব স্কুল শিক্ষক

মিড-ডে মিল দেবে ইসকন, আমিষ-নিরামিষ বিতর্কে সরব স্কুল শিক্ষক

সমীরণ বিশ্বাস,নয়া জামানা, নদীয়া: রাজ্য বিধানসভায় প্রথম বার বাজেট পেশ করেছে বিজেপি সরকার। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, কলকাতা পুর এলাকার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হবে ইসকনকে। তার পর থেকেই তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, ইসকনের মতো ধর্মীয়....

মিড-ডে মিল দেবে ইসকন, আমিষ-নিরামিষ বিতর্কে সরব স্কুল শিক্ষক

সমীরণ বিশ্বাস,নয়া জামানা, নদীয়া: রাজ্য বিধানসভায় প্রথম বার বাজেট পেশ করেছে বিজেপি সরকার। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


সমীরণ বিশ্বাস,নয়া জামানা, নদীয়া: রাজ্য বিধানসভায় প্রথম বার বাজেট পেশ করেছে বিজেপি সরকার। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, কলকাতা পুর এলাকার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হবে ইসকনকে। তার পর থেকেই তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, ইসকনের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের হাতে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়ার অর্থ পড়ুয়াদের নিরামিষ খাদ্যাভ্যাসে ঠেলে দেওয়া। বাঙালি পরিবারের সন্তানের ক্ষেত্রে তা খুব একটা পরিচিত অভ্যাস নয়। মিড-ডে মিলে কী খাওয়ানো হবে, তা স্থির করা হয় নির্দিষ্ট পুষ্টিমানের বিচারে। সেই অনুযায়ী সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে ডিম খাওয়ানো হয় পড়ুয়াদের। তা বাদ পড়লে দরিদ্র পরিবারের শিশুরা সমস্যায় পড়বে সব থেকে বেশি। মিড-ডে মিলে ইস্কনের খাবার দেওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কর বিকল্প সমাধানের পথ বাতলে দিলেন এক স্কুল শিক্ষক। তাঁর মতে, সরকার চাইলে চুটকিতেই এই আমিষ-নিরামিষ বিতর্কের সমাধান সম্ভব।নদীয়ার তেহট্টের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বুলবুল মণ্ডল বলেন, সরকার যদি সদিচ্ছা নিয়ে সৎ মনে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে কোনও বিতর্কই থাকে না। এই প্রেক্ষাপটে বুলবুলবাবুর সাফ কথা, ইস্কন ভালো নিরামিষ খাবার দিক, আপত্তি নেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাচ্চারা ডিম-মাংসের প্রতি যে টান অনুভব করে, সেটাকেও অস্বীকার করা যায় না। তাঁর প্রস্তাব, সরকার মিড-ডে মিলের বরাদ্দ বাড়িয়েছে। সেই টাকার একটা অংশ স্কুলকে দেওয়া হোক, একটা অংশ ইস্কনকে দেওয়া হোক। ইস্কন তার ভালো নিরামিষ খাবার পাঠাক। আর স্কুলে যেহেতু রান্নার পরিকাঠামো ও রাঁধুনি রয়েছেন, সেখানে সপ্তাহে দু-একদিন ডিম বা মাংস রান্না করে বাচ্চাদের খাওয়ানো হোক। দীর্ঘদিনের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থেকে বুলবুল মণ্ডল জানান, আমরা প্র্যাকটিক্যালি দেখেছি, যেদিন স্কুলে ডিম বা মাংস হয়, সেদিন বাচ্চাদের মধ্যে আলাদা আনন্দ থাকে। ওরা পেট ভরে খায়। খাবারের প্রতি এই ভালোবাসাটা বুঝতে হবে। এতে দুটো লাভ। এক, বাচ্চারা ইস্কনের পুষ্টিকর নিরামিষ খাবারও পেল, আবার তাদের পছন্দের আমিষ খাবারও পেল। দুই, স্কুলের রাঁধুনিদের কাজ হারানোর ভয় থাকবে না। তাঁরাও কাজ পাবেন। বুলবুল মণ্ডলের স্পষ্ট বার্তা, সরকার যদি মনে করে, তাহলে এটা কোনও ব্যাপারই নয়। ডিম, মাংস ও অন্যান্য খাবার নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার সমাধান হয়ে যায়। দরকার শুধু সদিচ্ছা। বাচ্চাদের পেট ও মন — দুটোই ভরুক, এটাই আসল কথা।


বেতন বৃদ্ধি ও বোনাসের দাবিতে ইসলামপুরে মিড-ডে মিল কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল

 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর