নয়া জামানা:প্রতীক নিয়ে চলা টানাপোড়েনের মধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কালীঘাট তৃণমূল। নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থী করা হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে, আর রেজিনগরে লড়বেন রবিউল আলম চৌধুরী।দীর্ঘদিন ধরে জল্পনা ছিল, নন্দীগ্রাম থেকে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হতে পারেন। মমতা লড়লে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না বলে আগেই জানিয়েছিল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোটের ময়দানে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝুঁকি নিলেন না মমতা। ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়মানুযায়ী একটি আসন ছাড়তে হয় তাঁকে, এবং তিনি নিজের চেনা গড় নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও নওদা জোড়া কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত, আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। ফলে সেই দুটি আসনও শূন্য। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৬ অক্টোবর হবে উপনির্বাচন।এই মুহূর্তে তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী গোষ্ঠী, যারা দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কের সমর্থন থাকার দাবি করে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করছে। দুই পক্ষের মধ্যে দলীয় প্রতীক নিয়েও চলছে টানাপোড়েন।মমতার প্রার্থী না হওয়া প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, ব্যবধান প্রায় ৫০ হাজার ভোটের হতে পারে এবং বিজেপি প্রার্থীই জয়ী হবেন, কারণ শুভেন্দু অধিকারীর কাছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পরিচয় কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।