নয়া জামানা:দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে ভারত সফরে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শনিবার ৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি নিয়ে দিল্লিতে পা রাখবেন তিনি। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি, সঙ্গে থাকছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও। ২০১৯ সালে মামল্লপুরমে অনানুষ্ঠানিক ভারত-চিন শীর্ষ বৈঠকের পর এই প্রথম ভারতে পা রাখছেন জিনপিং। সাত বছরের এই বিরতির অবসানকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছে কূটনৈতিক মহল। প্রসঙ্গত, গত ২৪-২৫ আগস্ট বেজিংয়ে অনুষ্ঠিত ২৫তম স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভস বৈঠকে সীমান্ত সমস্যা সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও উপস্থিত ছিলেন। ২০২০ সালে সীমান্ত সংঘাতের জেরে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারত-চিন সীমান্ত বাণিজ্য সাম্প্রতিক সময়ে ফের চালু হলেও তার গতি এখনও সেভাবে বাড়েনি এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্কেও নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করছে।তবে এই ঘটনাক্রম অস্বস্তিতে ফেলেছে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়-একথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। ফলে ঢাকা জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই সম্মেলনে কোনও সরকারি প্রতিনিধি পাঠাবে না। বরং উপযুক্ত সময়ে দ্বিপাক্ষিক সফরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রশাসন।