ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • প্রার্থী জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে, এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

প্রার্থী জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে, এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

নয়া জামানা, কলকাতা : নির্বাচন কমিশনের নিশানায় এবার ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠরা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার কড়া নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্দেশ পালন না করলে খোদ পুলিশের বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এলাকায় শান্তি ফেরাতে পুলিশকে চরম....

প্রার্থী জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে, এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

নয়া জামানা, কলকাতা : নির্বাচন কমিশনের নিশানায় এবার ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠরা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : নির্বাচন কমিশনের নিশানায় এবার ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠরা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার কড়া নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্দেশ পালন না করলে খোদ পুলিশের বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এলাকায় শান্তি ফেরাতে পুলিশকে চরম সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূলত পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা কাটাতে এবং এলাকায় ত্রাসের পরিবেশ দূর করতেই এই কড়া অবস্থান নিলো সাংবিধানিক এই সংস্থা। ভোটের ফলতায় উত্তেজনার পারদ চড়ছে দ্বিতীয় দফার পর থেকেই। শনিবার নতুন করে উত্তপ্ত হয় এলাকা। বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে ঢুকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের তির সরাসরি জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ ইস্রাফুল চোকদার ও সুজাদ্দিন শেখের দিকে। তাঁদের নেতৃত্বেই গ্রামে গ্রামে ঘুরে ভয় দেখানো হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসীদের একাংশ। এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশন সরাসরি ইস্রাফুল ও সুজাদ্দিনের নামে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে। বাদ যাননি তাঁদের সহযোগীরাও। কমিশনের নির্দেশ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিয়ে এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ও নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে হবে পুলিশকে।
শুক্রবার থেকেই ফলতার হাশিমনগর এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগে পরিস্থিতি রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। গ্রামবাসীদের দাবি, তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে। প্রতিবাদে শুক্রবার জাতীয় সড়ক অবরোধও করেছিলেন স্থানীয়রা। অভিযোগ ওঠে যে ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়েছে। জনরোষ সামলাতে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা সশরীরে ঘটনাস্থলে গেলেও উত্তেজনা কমেনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিলেও পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হয়নি। শনিবার নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হলে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন গ্রামবাসীরা। রাজ্য পুলিশের গাফিলতি নিয়ে সরব হন আন্দোলনকারীরা। এক বিক্ষোভকারীর কথায়, ‘বাড়িতে গিয়ে মারধর করা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আমরা ইস্রাফুলের গ্রেফতারি চাই। কিন্তু রাজ্য পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। আমরা চাই ওকে গ্রেফতার করা হোক। আর চাই ফলতায় দু’টি বুথ আছে, যেখানে পুনর্নির্বাচন করা হোক।’ তাঁদের স্পষ্ট দাবি, ‘ফলতায় পুনর্নির্বাচন চাই।’ পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের পাল্টা অভিযোগ উঠলেও এক পুলিশ আধিকারিক তা অস্বীকার করেছেন। রাজ্যের ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন চললেও সেই তালিকায় ফলতার নাম নেই। এই উত্তপ্ত আবহেই কমিশনের এই চরম হুঁশিয়ারি ও নির্দেশিকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের জালে তুলতে পুলিশ এবার কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল। ফাইল ফটো।


স্ট্রংরুমে ‘সন্দেহজনক’ গতিবিধি পাহারায় মমতা, অবস্থানে কুণাল-শশী

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর