নয়া জামানা, কলকাতা : অন্ধকারের দিন শেষ। হায়দরাবাদের হাসপাতালে জটিল অস্ত্রোপচারের পর ফিরে এল দুই খুদের চোখের আলো। সৌজন্যে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সেবাশ্রয়’ কর্মসূচি। শনিবার সমাজমাধ্যমে দুই শিশুকন্যার সুস্থতার খবর ভাগ করে নিয়েছেন অভিষেক নিজেই। আলিফা ও রায়ানা খাতুন। মাত্র আট মাস বয়সেই লড়াই শুরু হয়েছিল এই যমজ বোনের। জন্ম থেকেই পৃথিবীটা ছিল তাদের কাছে অন্ধকার। অর্থের অভাবে চিকিৎসা থমকে ছিল নিম্নবিত্ত পরিবারটির। শেষমেশ গত জানুয়ারিতে ‘সেবাশ্রয়’ শিবিরে দুই মেয়েকে নিয়ে হাজির হন মা।সেখানকার চক্ষুবিশেষজ্ঞরা আশার আলো দেখান। জানানো হয়, অস্ত্রোপচার করলে দৃষ্টি ফিরে পাওয়া সম্ভব। কিন্তু সেই খরচ জোগানোর ক্ষমতা ছিল না পরিবারের। সাংসদের কানে খবর পৌঁছতেই তৎপর হয় তাঁর টিম। যোগাযোগ করা হয় হায়দরাবাদের একটি নামী চক্ষু হাসপাতালের সঙ্গে। যাবতীয় রিপোর্ট পরীক্ষা করে সবুজ সংকেত আসতেই মা ও শিশুদের দক্ষিণ ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন অভিষেক। সেখানকার চিকিৎসকদের হাতযশেই মিটেছে দীর্ঘ অন্ধকার। কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত দুই শিশুর মা একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলেছেন, ‘জন্ম থেকেই ওরা অন্ধ ছিল। ভাবতেও পারিনি এই দিনটা আসবে। অভিষেকদাই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তাই এটা সম্ভব হল।’ এই সাফল্যে অভিষেক লিখেছেন, ‘সেবাশ্রয়ের অঙ্গীকারের মাধ্যমে আট মাস বয়সি যমজ শিশু আলিফা ও রায়ানা খাতুনের দৃষ্টি পুনরুদ্ধারের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তারা জন্মগত অন্ধত্ব কাটিয়ে এমন এক ভবিষ্যতের পথে পা বাড়িয়েছে, যা আগে অসম্ভব বলে মনে করা হয়েছিল।’ এর আগেও ‘সেবাশ্রয়’-এর হাত ধরে বহু দুঃসাধ্য অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে কলকাতা ও দক্ষিণ ভারতে। ফের একবার মানবিক নজির গড়ল এই উদ্যোগ।
ভারত ৯৩ রানে হারল নামিবিয়াকে! ঈশান–হার্দিক ঝড়ে ব্যাটিংয়ে নামিবিয়াকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয় জয় ভারতের