নয়া জামানা, মালদহ: গঙ্গা ও ফুলহর এই দুই নদীর জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বাড়তেই মালদার বন্যা পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে। নদীর জলে রতুয়া ও মানিকচকের নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে গেছে। বিশেষ করে গঙ্গার জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ভূতনি ও কাটাহা দিয়ারা এলাকা। ইতোমধ্যে প্রায় ৫৯টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় গৃহহীন বহু মানুষ। বসতবাড়ি, চাষের জমি ও রাস্তাঘাট জলের তলায় তলিয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ বাধ্য হয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বহু জায়গায় বিশুদ্ধ পানীয় জল ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা খতিয়ে দেখতে এবং দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানোর উদ্যোগ হিসেবে একযোগে ময়দানে নেমেছে রাজ্য প্রশাসন। উদ্ধার ও ত্রাণকাজ জোরদার করতে সিভিল ডিফেন্সের ডিজি সঞ্জয় সিং, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের প্রধান সচিব রাজেশ সিনহা, উত্তরবঙ্গের আইজি সুকেশ জৈন, নর্থ ইরিগেশন সার্কেলের সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার দিগন্ত মাইতি, মালদার জেলা শাসক রাজনবীর সিং কাপুর এবং পুলিশ সুপার অনুপম সিং একযোগে হেলিকপ্টারে করে গোটা এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেন।
উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের এই দল প্লাবিত গ্রামগুলির প্রকৃত চিত্র, জলস্তরের গতিপ্রকৃতি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছেন। দুর্গতদের কাছে কীভাবে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো যায় এবং আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হচ্ছে। নদীগুলির জল আরও বাড়লে প্রশাসনিক প্রস্তুতি কেমন হবে, তা নিয়েও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট নজরদারি? সিইও-র কপ্টার সফরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি