দীপঙ্কর দোলাই, নয়া জামানা : এবার রাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার? এমনই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বিজেপির শীর্ষ সূত্রে।পদোন্নতি হলেও সুকান্তবাবু কোন মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলাবেন, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। সূত্রের দাবি, আগামী সপ্তাহেই মোদি মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ রদবদল হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য এবং সুকান্তবাবু— বাংলা থেকে দু’জনকেই পূর্ণমন্ত্রী করে বঙ্গ বিজয়ের পুরস্কার দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।এ ব্যাপারে অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এদিন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কিছুই জানা নেই। তাই আমি কোনও মন্তব্য করব না। নো কমেন্টস।তবে ভিন দলে মিশে যাওয়া বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের মোদি সরকারে মন্ত্রিত্ব প্রাপ্তির সম্ভাবনা রীতিমতো ক্ষীণ। কারণ, সেরকম হলে বিজেপির অন্দরেই চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মত, সেই ঝুঁকি নরেন্দ্র মোদি কিংবা অমিত শাহ কেউই নিতে চাইবেন না। অন্যদিকে আজ, শুক্রবারই তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙনের প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এর ফলে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে অনিশ্চয়তা সেভাবে কাটেনি। এমন দোলাচলে তাঁদের কাউকে মোদির মন্ত্রিসভায় রাষ্ট্রমন্ত্রী করার সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে। এই প্রেক্ষাপটে তাই বঙ্গ বিজেপির দু’জন সাংসদকে কেন্দ্রে পূর্ণমন্ত্রী করা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।২০১৪ সালে প্রথমবার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। তারপর বিগত ১২ বছরে বাংলা থেকে একাধিক সাংসদকে রাষ্ট্রমন্ত্রী করে নিজের মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়েছেন মোদি। কিন্তু এই বছরগুলিতে বাংলা থেকে কাউকেই পূর্ণমন্ত্রী করা হয়নি। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবার সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যার অন্যতম কারণ, ঐতিহাসিক বঙ্গ বিজয়।
আরও পড়ুন: